‘আমরাই আসল তৃণমূল, দাবি করতে আসিনি’! জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর সরব ঋতব্রত
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘আমরাই আসল তৃণমূল, দাবি করতে আসিনি’! জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর সরব ঋতব্রত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India-ECI) ফুল বেঞ্চের (Full Bench) সঙ্গে বৈঠকের পর নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে কমিশনের দফতরে বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, তাঁরা কোনও দাবি জানাতে যাননি, কারণ তাঁরাই ‘আসল’ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress-TMC)।

ঋতব্রত জানান, তাঁদের দলের চেয়ারম্যান (Chairman) অরূপ রায় (Aroop Roy)। গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রতিনিধি অধিবেশন (Special Delegate Session)-এ নিয়ম মেনে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরদিনই নির্বাচন কমিশনের কাছে সাক্ষাতের আবেদন জানানো হয়েছিল। কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এবং জমা দেওয়া নথি (Documents) খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে। দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে কড়া ভাষায় ঋতব্রত অভিযোগ করেন, তৃণমূল একসময় একজন ‘চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট’ (Chartered Bureaucrat)-এর প্রভাবে হাইজ্যাক (Hijack) হয়ে পরিবারকেন্দ্রিক সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। যদিও কারও নাম উল্লেখ করেননি, তাঁর বক্তব্যে দলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি স্পষ্ট কটাক্ষ ছিল। তিনি বলেন, এই লড়াই কোনও ব্যক্তির নয়, বরং ব্যক্তি-নির্ভর রাজনীতি (Personality Cult) ও একনায়কতন্ত্রের (Autocracy) বিরুদ্ধে সমষ্টিগত লড়াই।

ঋতব্রতের দাবি, দলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি বিধায়ক (MLA), বহু প্রাক্তন মন্ত্রী, কাউন্সিলর (Councillor), জেলা পরিষদের সদস্য এবং একাধিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁর কথায়, “তৃণমূলে কোনও ‘আমি’ নেই, এখানে সবাই ‘আমরা’।”

এদিন তিনি আরও দাবি করেন, বাংলার মানুষ পরিবারতন্ত্র (Dynasty Politics) ও দুর্নীতিকে সমর্থন করেন না। বালি, কয়লা, ডলোমাইট এবং গোরু পাচার-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির (Corruption) ঘটনায় যুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর তদন্তেরও দাবি জানান তিনি। তবে ভবিষ্যতে বিষয়টি আদালতে (Court) গড়াবে কি না, সে বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাননি ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, আপাতত তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছেই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন রাজনৈতিক মহলের নজর।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads