সরকারি গ্রন্থাগারের ফাকা জায়গা বিক্রির অভিযোগ খোদ শাসকদলের প্রশাসকের বিরুদ্ধে, ঘটনায় বিতর্ক এলাকাজুড়ে
Connect with us

মালদা

সরকারি গ্রন্থাগারের ফাকা জায়গা বিক্রির অভিযোগ খোদ শাসকদলের প্রশাসকের বিরুদ্ধে, ঘটনায় বিতর্ক এলাকাজুড়ে

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , চাঁচল , ০৯ জানুয়ারী : সরকারি লাইব্রেরির মাঠ বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো খোদ প্রশাসকের বিরুদ্ধে ৷ এনিয়ে শনিবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ায় চাঁচলের কুমার শিবপদ ক্লাব ও লাইব্রেরি চত্বরে ৷ চাঁচল পোস্ট অফিস পাড়ায় রয়েছে শতাধিক বছরের প্রাচীন কুমার শিবপদ ক্লাব ও লাইব্রেরি ৷

সরকার গঠিত ট্রাস্ট এই লাইব্রেরির রক্ষণাবেক্ষণের খরচ চালানোর জন্য দীর্ঘদিন আগে এই জমিতে ৬৬টি দোকানঘর নির্মাণ করে৷ কিন্তু পুরোনো কমিটি ভেঙে ২০১৭ সালে চাঁচল ১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি সুমিত সরকারকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ অভিযোগ, সুমিত সরকার এই লাইব্রেরি মাঠের একাংশ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অভিষেক পান্ডে নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেছেন৷ এমনকী সেখানে স্থায়ী নির্মাণ কাজও শুরু করে দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। একাধিকবার আবেদন জানিয়েও ওই বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করতে না পেরে এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ দেখায়। পরে চাঁচল থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে ৷ বন্ধ করে দেওয়া হয় অবৈধ নির্মাণ ৷ এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে এলাকাজুড়ে। তৃণমূল নেতা আদিত্যনারায়ণ দাস বলেন, রাজ্য সরকারের বদনাম করার জন্য এই কাজ করা হয়েছে। এই প্রশাসকেরা সকলেই শুভেন্দু অধিকারীর সময়কালে নিযুক্ত হয়েছিল।এখন দলকে বদনাম করার জন্য এই কাজগুলো করছেন তারা। অবিলম্বে এই প্রশাসকদের বদলের জন্য দলের জেলা নেতৃত্বের কাছে আবেদন করবেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে এবিষয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা দীপঙ্কর রাম বলেন, এই লাইব্রেরি চাঁচলের ঐতিহ্য। মূলত চুপিসাড়ে কাগজপত্র তৈরি করে এই অনৈতিক কাজগুলো করা হচ্ছিল। যবে থেকে এখানে কাজ শুরু হয়েছে তবে থেকেই এর প্রতিবাদ করা হয়েছে। এবিষয়ে মহকুমাশাসক ও চাঁচল থানার আইসির কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে এবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যদিও প্রশাসক সুমিত সরকার জানিয়েছেন, সেখানে বেআইনিভাবে কিছুই করা হচ্ছে না। ইতিমধ্যে নির্মানকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এদিন কিছু বহিরাগত সেখানে জমি দখলের চেষ্টা করে।যদিও তাকে ও দলকে বদনাম করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবী তার। যদিও প্রশাসনসুত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ আগামী ১৪ জানুয়ারি ব্লক অফিসে এনিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে৷ গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।