আদালতে চুপচাপ অভিযুক্তরা, কসবা কাণ্ডে ঘনাচ্ছে রহস্য
Connect with us

ভাইরাল খবর

আদালতে চুপচাপ অভিযুক্তরা, কসবা কাণ্ডে ঘনাচ্ছে রহস্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল’ কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হতেই ফের মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হয় তাঁদের। শুনানির সময় অভিযুক্তদের পক্ষে দাঁড়ানো আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন না করে বরং দাবি করেন, তাঁদের মক্কেলরা তদন্তে সাহায্য করতে চান বলেই জামিন চাইছেন না।

তবে এই মামলায় অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি তোলেন। তাঁদের প্রশ্ন, “ঘটনাটি আদৌ গণধর্ষণ কি না, তা নিয়েই সন্দেহ রয়েছে। এফআইআরের ভাষা থেকেই সেই সন্দেহ তৈরি হচ্ছে।” তাঁরা আরও জানতে চান, নির্যাতিতার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না এবং করা হয়ে থাকলে তা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে কি না। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের কল ডিটেইলস খতিয়ে দেখা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ তমান্নার বাড়ি যাওয়ার অঙ্গীকার, শপথের আগেই দায়িত্বের বার্তা দিলেন আলিফা

অন্যদিকে সরকারি আইনজীবী সৌরিন ঘোষাল (Sourin Ghosal) পাল্টা সওয়ালে বলেন, “তথ্যপ্রমাণ, মেডিক্যাল ও ডিজিটাল এভিডেন্স সব মিলিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে। অভিযুক্তদের ব্যাখ্যা, প্রকৃত সত্যকে ঢাকতে চেষ্টামাত্র।” এরপরই তিনি তুলে ধরেন সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ— “ঘটনার সময় নির্যাতিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে, এক অভিযুক্ত ইনহেলার এনে দেয়। যাতে সে সুস্থ হয়ে আবার অত্যাচার চালানো যায়।”

Advertisement
ads

সরকারি পক্ষের মতে, এ ঘটনা থেকেই স্পষ্ট, পরিকল্পনা করে, অত্যাচার চালাতেই ইনহেলার ব্যবহার করা হয়েছিল। “এটা শারীরিক নয়, বর্বরতা,” বলেন সরকারি কৌঁসুলি। তাই তিন অভিযুক্তের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়।

এদিকে, ধৃত নিরাপত্তারক্ষীর আইনজীবীও জামিনের আবেদন জানাননি। তাঁর যুক্তি, “ওঁর ক্ষমতা সীমিত। আদালত নিজেই তাঁর ভূমিকা বিবেচনা করুক।”

এই মামলায় পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর এখন গোটা রাজ্যের।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement