ভারতীয় রেলের মাস্টারপ্ল্যান! ট্রেনের গতি বাড়াতে কাটছাঁট ৩০০-র বেশি স্টপেজ
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভারতীয় রেলের মাস্টারপ্ল্যান! ট্রেনের গতি বাড়াতে কাটছাঁট ৩০০-র বেশি স্টপেজ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দূরপাল্লার (Long Distance) এবং প্রিমিয়াম (Premium) ট্রেনের গতি আরও বাড়াতে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। বিভিন্ন রুটে থাকা ৩০০-র বেশি অপ্রয়োজনীয় ও অলাভজনক স্টপেজ (Stopage) পরীক্ষামূলকভাবে তুলে দেওয়ার নীলনকশা তৈরি হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে ট্রেনের যাত্রার সময় কমবে, পাশাপাশি রেলের জ্বালানি ও পরিচালন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

রেলওয়ে বোর্ডের (Railway Board) এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের দাবি, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ এবং স্থানীয় মানুষের দাবির ভিত্তিতে বহু স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেনের স্টপেজ চালু করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ছয় মাস পর সেই স্টপেজগুলির বাণিজ্যিক (Commercial) মূল্যায়ন করা হয়। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩০০-র বেশি স্টেশন ন্যূনতম যাত্রীসংখ্যার শর্ত পূরণ করতে পারেনি। প্রতিদিন একটি ট্রেনের জন্য অন্তত ১৫টি টিকিট বিক্রির যে মানদণ্ড রয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই তা পূরণ হয়নি।

রেলের গবেষণা সংস্থা আরডিএসও (RDSO)-র হিসাব অনুযায়ী, ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতিতে চলা একটি ট্রেনকে স্টেশনে থামিয়ে আবার একই গতিতে ফিরতে প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট সময় লাগে। ফলে একটি অপ্রয়োজনীয় স্টপেজ বাদ দিলে ট্রেনের মোট যাত্রার সময় ১৫ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

শুধু সময়ই নয়, স্টপেজ কমলে জ্বালানি সাশ্রয়ও হবে। রেলের হিসাব বলছে, একটি স্টপেজ বাতিল করলে ট্রেনপ্রতি প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ (Electricity) অথবা ২০ থেকে ২৫ লিটার ডিজেল (Diesel) সাশ্রয় হতে পারে। এর ফলে পরিচালন ব্যয় কমার পাশাপাশি পরিবেশের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Advertisement
ads ads

প্রাথমিক পর্যায়ে দিল্লি থেকে চলাচলকারী প্রায় ১২টি প্রিমিয়াম ট্রেন, তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) এবং কয়েকটি শতাব্দী এক্সপ্রেস (Shatabdi Express)-এর নির্দিষ্ট স্টপেজ পর্যালোচনা করা হবে। তবে কোন কোন স্টেশনের স্টপেজ বাতিল হবে, সেই চূড়ান্ত তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

ভারতীয় রেলের লক্ষ্য, অপ্রয়োজনীয় স্টপেজ কমিয়ে দ্রুত, সময়নিষ্ঠ (Punctual) এবং আরও দক্ষ (Efficient) পরিষেবা নিশ্চিত করা। এতে যাত্রীরা যেমন দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন, তেমনই রেলের সামগ্রিক পরিষেবার মানও আরও উন্নত হবে।

Continue Reading
Advertisement ads