দেশের খবর
লাঠিচার্জের পর হাসপাতালে ‘আরশোলা’রা! আহতদের দেখতে হাসপাতালে নাড্ডা, কেজরি-রাহুলেরও উপস্থিতি
ডিজিটাল ডেস্কঃ NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ড (NEET Scam) এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে (Delhi) সংসদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ও অসুস্থ হয়ে পড়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র সদস্যদের দেখতে হাসপাতালে পৌঁছন একাধিক রাজনৈতিক নেতা।
মঙ্গলবার দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে (RML Hospital) গিয়ে আহত আন্দোলনকারীদের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহতদের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।
এর আগে সকালে হাসপাতালে যান দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আপ নেত্রী আতিশী এবং সৌরভ ভরদ্বাজ। পরে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) গিয়েও আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। সোমবার যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আয়োজিত সংসদ অভিযান ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের অনুমতি না থাকলেও মিছিল এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগ ওঠে। এরপর পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। প্রায় ৫ হাজার পুলিশ ও আধা সেনা মোতায়েন ছিল এলাকায়।
এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের উপর দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বিরোধীদের বাধা দেওয়া হয়েছে। এর আগে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে সোনম ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) মুক্তি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের মতো দাবি জানানো হয়।
তবে বৈঠকের পরও সোনম ওয়াংচুক আমরণ অনশন (Hunger Strike) চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, এই আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
