কলকাতা ফিরলেই কি গ্রেপ্তার অভিষেক? সই জাল কাণ্ডে তুঙ্গে জল্পনা
Connect with us

ভাইরাল খবর

কলকাতা ফিরলেই কি গ্রেপ্তার অভিষেক? সই জাল কাণ্ডে তুঙ্গে জল্পনা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভার সই জাল (Signature Forgery) কাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরপর তিনবার নোটিস পাঠিয়েছে সিআইডি (CID)। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি কোনওবারই হাজির হননি।

তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে, দ্বিতীয়বার কর্মব্যস্ততার কথা জানিয়ে এবং তৃতীয়বার দিল্লিতে (Delhi) অবস্থানের কথা উল্লেখ করে সময় চেয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি তিনি হাই কোর্টে (High Court) সুরক্ষার আবেদনও জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গতিবিধি (Movement) সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের (Airport Authority) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিআইডি।

মঙ্গলবার তদন্তের স্বার্থে কালীঘাটে (Kalighat) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছন তদন্তকারীরা। সেখানে রেজোলিউশনের (Resolution) কপির খোঁজে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের দাবি, তদন্তের পরবর্তী ধাপ হিসেবে অভিষেকের যাতায়াত সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, সিআইডির পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আগেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, তদন্তকারী সংস্থার পাঠানো নোটিস বেআইনি (Illegal) ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Motivated)। বুধবার মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আদালতের রায় এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Advertisement
ads

প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রস্তাবপত্র (Proposal Letter) জমা দেওয়ার সময় একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বিধানসভার সচিবের নজরে আসার পর অভিযোগ দায়ের হয় এবং তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের সূত্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসায় তাঁকে বারবার তলব করা হয়। কিন্তু তিনি একবারও উপস্থিত হননি। তাই রাজনৈতিক মহলের অনেকের ধারনা কলকাতায় অভিষেক ফিরলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এখন আদালতের সিদ্ধান্ত এবং সিআইডির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Continue Reading
Advertisement