ভোটের খবর
‘সিংঘম’ অজয় পাল শর্মার নজরদারিতেও অশান্ত ফলতা! পদ্ম প্রতীকে টেপ সেঁটে ভোট লুটের চেষ্টা
ডিজিটাল ডেস্কঃ দ্বিতীয় দফার ভোট (Bengal 2nd Phase Election) ঘিরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা (Falta) বিধানসভায় উত্তেজনা চরমে। সকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা এলাকাজুড়ে টহল (patrolling) চালান। সাঁজোয়া গাড়ি (armoured vehicle) ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (central forces)-র উপস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও একাধিক অভিযোগ সামনে আসে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, ফলতার দেবীপুরের ১৭৭ নম্বর বুথে ইভিএম (EVM)-এ বিজেপির প্রতীকের ওপর সাদা টেপ (white tape) লাগানো হয়েছিল। বিজেপি প্রার্থী Debangshu Panda দাবি করেন, ভোটারদের বিভ্রান্ত (mislead) করতেই পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পদ্ম প্রতীকের বোতাম (button) টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল যাতে ভোট দেওয়া কঠিন হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে বুথের বাইরে বিজেপি কর্মী–সমর্থকদের বিক্ষোভ (protest) শুরু হয়। পরে অভিযোগ সামনে আসতেই সংশ্লিষ্ট ইভিএম বদল (EVM replacement) করা হয়েছে বলে জানা যায়। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। বিজেপির তরফে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুনর্নির্বাচনের (re-poll) দাবি তোলা হয়েছে। একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
This is what Mamata Banerjee was defending when she spoke up for Jehangir Khan, a criminal contesting on a TMC ticket from Falta in Diamond Harbour.
In several polling booths, the option to vote for the BJP has been blocked using a tape, effectively preventing voters from… pic.twitter.com/sKw3mcdA86
— Amit Malviya (@amitmalviya) April 29, 2026
এদিকে ভাঙড় (Bhangar) এলাকাতেও উত্তেজনা ছড়ায়। বিস্ফোরক (explosives) উদ্ধার এবং বোমা মামলার তদন্তে National Investigation Agency (NIA) আধিকারিকরা এলাকায় যান। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও তীব্র। বিজেপি নেতা অমিত মালভিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে কটাক্ষ করেন এবংঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় -কে নিশানা করেন। অন্যদিকে শাসকদলের দাবি, নিশ্চিত পরাজয় বুঝেই বিজেপি ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে।
ফলতার এই ঘটনা দ্বিতীয় দফার ভোটে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা (transparency) নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
