ভাইরাল খবর
‘মাছে-ভাতে বাঙালির আবেগ ছুঁতে মরিয়া মোদি! মৎস্য উৎপাদনে পিছিয়ে পড়া নিয়ে তোপ রাজ্যকে
ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ (fish-loving culture) আবেগকে সামনে রেখেই হলদিয়ার জনসভা (public rally) থেকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানালেন নরেন্দ্র মোদী। মৎস্য উৎপাদন (fish production) ইস্যুতে সরাসরি মমতা বন্দোপাধ্যাযয়ের সরকারকে নিশানা করেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এই সভায় মোদি দাবি করেন, এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলা এখনও মাছ উৎপাদনে পিছিয়ে। তাঁর কথায়, রাজ্যকে এখনও অন্য রাজ্য থেকে মাছ আমদানি (import) করতে হয়। তিনি আরও বলেন, বিজেপি (BJP) শাসিত রাজ্যগুলিতে মৎস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যেমন বিহারে উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে।
এই মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পালটা দাবি করেন, বাংলা এখন মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর (self-sufficient) এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আর মাছ আনতে হয় না। এমনকি রাজ্যে ইলিশ চাষ (hilsa farming) শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিন মোদি আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের ‘পিএম মৎস্য সম্পদ যোজনা’ (PM Matsya Sampada Yojana)-র সুবিধা রাজ্যের মৎস্যজীবীরা (fishermen) ঠিকভাবে পাচ্ছেন না। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার প্রকল্পের নাম বদলে দিচ্ছে, ফলে প্রকৃত সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কেন্দ্রের সমস্ত প্রকল্প (central schemes) বাংলার মানুষ সরাসরি পাবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, মাছ-মাংস (non-veg food) ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির বিরুদ্ধে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস (food habit) বদলানোর অভিযোগ তুলে আসছে তৃণমূল। এর পালটা হিসেবে বিজেপি নেতাদের মাছ হাতে প্রচার (campaign) করতেও দেখা গিয়েছে। এমনকি দিলিপ ঘোষ-কেও খড়গপুরে মাছবাজারে যেতে দেখা যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ব মেদিনীপুরে বিপুল সংখ্যক মৎস্যজীবীর বসবাস এবং দিঘা-শঙ্করপুর অঞ্চলের মাছ শিল্প (fishing industry)-কে মাথায় রেখেই এই ইস্যু সামনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভোটের আগে ‘মাছ’ এখন বাংলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে।


