বাংলাদেশ
হিন্দু হত্যাকাণ্ডে দায় এড়ানোর চেষ্টা? দীপু দাস মৃত্যু নিয়ে বাংলাদেশের পুলিশের বক্তব্যে বিতর্ক
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশে হিন্দু হত্যাকাণ্ড (Hindu Killing) ঘিরে ভারত ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়তেই মুখরক্ষার ব্যাখ্যায় সরব হল ইউনুস প্রশাসন (Yunus Administration)। নৃশংসভাবে নিহত দীপু দাস (Dipu Das)–কে বাঁচানো যেত, যদি সময়মতো খবর পাওয়া যেত—এমনই দাবি করল বাংলাদেশ পুলিশ (Bangladesh Police)।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টার (The Daily Star)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মহম্মদ ফারহাদ হোসেন জানান, ঘটনার রাতে রাত ৮টার দিকে প্রথম খবর আসে। দীপু যে কারখানায় কাজ করতেন, সেটি থানার থেকে প্রায় ১৫ কিমি দূরে। খবর পেয়েই পুলিশ রওনা দিলেও ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। উত্তেজিত জনতা মৃতদেহ নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ে (Dhaka-Mymensingh Highway)-এর দিকে এগোলে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তবে পুলিশের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বক্তব্য দিয়েছেন কারখানার ম্যানেজার সাকিব মাহমুদ। তাঁর দাবি, বিকেল ৫টা থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং রাত ৮টার মধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ পুলিশের হাতে অন্তত ৪৫ মিনিট সময় ছিল দীপুকে উদ্ধারের।
ঘটনার পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পুলিশ ও র্যাব (RAB) ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। যদিও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘লোকদেখানো পদক্ষেপ’-এর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ স্বীকার করেছে, দীপুর বিরুদ্ধে ধর্মীয় উসকানির (Religious Provocation) কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত সরকারও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।


