ভাইরাল খবর
কলকাতা হাইকোর্টে কেন্দ্রের ঘোষণা, CAA আবেদনগুলো দশ দিনের মধ্যে বিবেচনা করা হবে
ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) সংক্রান্ত আত্মদীপ (Atmadip) সংগঠনের মামলা (case) শুনানিতে আবেদনকারীরা (applicants) বড় স্বস্তি পেলেন। কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল (Sujay Pal) ও বিচারপতি চৈতালি চ্যাটার্জি (Chaitali Chatterjee)-র ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির (hearing) সময় কেন্দ্র (Centre) জানায়, এই মামলায় যুক্ত আবেদনকারীদের সমস্ত আবেদন (applications) দশ দিনের (10 days) মধ্যে বিবেচনা করা হবে।
দেশজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার নাগরিকত্ব (citizenship) আবেদন ঝুলে আছে। তবে আপাতত এই আশ্বাসটি শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)-এর আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs) জানায়, “CAA-র মূল উদ্দেশ্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে বেআইনি (illegal)ভাবে আগতদের শনাক্ত করা। এই মামলার আবেদনকারীদের বিষয়টি দশ দিনের মধ্যে বিবেচনা করা হবে।”
এডিশনাল সলিসিটার জেনারেল (ASG) অশোক চক্রবর্তী (Ashok Chakraborty) আদালতে বলেন, শুধুমাত্র এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীদের আবেদনই আপাতত খতিয়ে দেখা হবে। দেশের অন্যান্য প্রান্তে একই ধরনের মামলা বিচারাধীন থাকলেও সেখানে এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না।
রাজ্য সরকারের (State Government) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে রাজ্যের কোনও ভূমিকা নেই। কমিশন (Commission)ই সমস্ত কার্য সম্পাদন করছে। কেন্দ্রের অভিযোগ, নব্বই দিনের (90 days) মধ্যে আবেদন পাঠানোর কথা থাকলেও তা পাঠানো হয়নি।
মামলাকারীর আইনজীবী মৈনাক বসু (Mainak Basu) বলেন, “এই জনস্বার্থ (Public Interest) মামলায় দেশের সব আবেদনকারীর পক্ষেই কথা বলা হয়েছে। প্রায় ৫০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, কেন্দ্র তা জানাক—অনুমোদন হোক বা বাতিল হোক, অন্তত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।”
তিনি আরও বলেন, “এনুমারেশন ফর্মে (Enumeration Form) CAA আবেদনকারীদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট অপশন রাখা হয়নি। তাই এই মামলার (case) পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া জরুরি।” মামলার শুনানি (hearing) এদিন দুপুরে ফের হবে।
