আলোচনা হোক, যুদ্ধ নয়—রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের
Connect with us

অপারেশন সিঁদুর

আলোচনা হোক, যুদ্ধ নয়—রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ যুদ্ধ নয়, শান্তির পথে হাঁটতে চায় পাকিস্তান। রাষ্ট্রপুঞ্জে (United Nations) দাঁড়িয়ে এমনই বার্তা দিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা—‘ভারতের সঙ্গে আমরা শান্তিপূর্ণ (peaceful), সর্বাঙ্গীন (comprehensive) ও ফলপ্রসূ (result-oriented) আলোচনা চাই।’

এই বক্তব্যের পাশাপাশি শরিফ দাবি করেন, ভারতের ৭টি যুদ্ধবিমান (fighter jets) পাকিস্তান ধ্বংস করেছে। সংঘর্ষবিরতির কৃতিত্ব তিনি দেন আমেরিকার (USA) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump)।

পহেলগামে (Pahalgam) জঙ্গি হামলার পরে ভারত শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)। সেনা গুঁড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি (terror camps)। পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তানও। ভারতের দাবি অনুযায়ী, তারা পাকিস্তানের ৫টি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় সামরিক পরিবহণ বিমান (military transport aircraft) ধ্বংস করেছে। ৯ অগস্ট এই দাবি করেছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং।

তবে শেহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাতে চায়। তাঁর কথায়, ‘বিশ্ববাসীর কাছে আমি আজ প্রস্তাব রাখছি—ভারতের সঙ্গে সমস্ত অমীমাংসিত ইস্যুতে (unresolved issues) আমরা আলোচনায় প্রস্তুত।’

Advertisement
ads ads

২০০৩ সালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের (Pervez Musharraf) আমলে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার (Mumbai Attacks) পর সেই প্রক্রিয়া থেমে যায়।

শেহবাজ শরিফ আরও জানান, তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শান্তির দূত’ (Messenger of Peace) আখ্যা দিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কারের (Nobel Peace Prize) জন্য মনোনীত করেছেন। তাঁর কথায়, ‘এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের অবদান অনস্বীকার্য।’

কাশ্মীর (Kashmir) ইস্যুতেও মুখ খোলেন শরিফ। বলেন, পাকিস্তান বহিরাগত সন্ত্রাসবাদের (foreign-sponsored terrorism) শিকার। কোনও ধর্ম বা জাতির প্রতি বিদ্বেষ বা হিংসার (violence) কোনও স্থান নেই।

Advertisement
ads ads

গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে (White House) রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে ট্রাম্প, শরিফ এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের (Asim Munir) মধ্যে। এই বৈঠকের পরে ট্রাম্প তাদের দু’জনকেই ‘গ্রেট লিডার’ (Great Leaders) বলেও অভিহিত করেন।

এদিকে ভারত-আমেরিকা (India-US) সম্পর্ক ট্যারিফ (tariff) ইস্যুতে ধাক্কা খাচ্ছে, সেই সময়েই পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন (Washington)।

Continue Reading
Advertisement ads