দেশের খবর
আন্দোলনে রণক্ষেত্র নেপাল, ভারতীয়দের উদ্ধারে জোরকদমে কেন্দ্র
ডিজিটাল ডেস্কঃ নেপালে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের (protest) আবহে চরম আতঙ্কে আটকে পড়েছেন অন্তত ৪০০ ভারতীয়। কাঠমান্ডুর (Kathmandu) অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর। পর্যটক থেকে খেলোয়াড়—বিভিন্ন প্রয়োজনে নেপালে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকরা এখন কার্যত ফাঁদে আটকে। এই অবস্থায় তাঁদের উদ্ধারে (rescue) বিশেষ বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।
দেশটির কেপি শর্মা ওলি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে (demonstration) রাস্তায় নেমেছে তরুণ প্রজন্ম। তাঁদের মূল অভিযোগ, সরকারের দুর্নীতি এবং সম্প্রতি সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম—ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স-সহ ২৬টি মাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত। তাতেই আরও উসকে উঠেছে ক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২২ জনের, আহত ২৫০-র বেশি।
চরম উত্তেজনার মধ্যেই ভারতীয় পর্যটকরা আতঙ্কে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড় উপাসনা গিল। তিনি কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাসের (embassy) কাছে দ্রুত উদ্ধার চেয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্রের খবর, আটকে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে ভারতীয় বায়ুসেনার (Air Force) দু’টি বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়াদিল্লি। সম্ভবত বৃহস্পতিবারই এই দুটি বিমান নেপালে যাবে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে নেপালি সেনার (Nepali Army) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ভারতীয় দূতাবাস।
বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঠমান্ডুতে জারি করা হয়েছে কারফিউ (curfew)। কিন্তু তার মধ্যেও রাস্তায় রয়ে গিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে রীতিমতো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি করেছে বিক্ষোভকারীরা।
মঙ্গলবারই ভারতের বিদেশমন্ত্রক (Foreign Ministry) নেপালে অবস্থানরত ভারতীয়দের সতর্ক করে বিবৃতি জারি করেছে। সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে এবং নাগরিকদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।


