আদমপুর বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী, বায়ুসেনার সাহসিকতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
Connect with us

হামলা

আদমপুর বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী, বায়ুসেনার সাহসিকতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) এবং পহেলগাঁও (Pahalgam) হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তার খানিকটা প্রশমনের পর মঙ্গলবার সকালে পঞ্জাবের আদমপুর (Adampur) বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সেখানকার সাহসী বায়ুসেনা জওয়ানদের (Air Force Personnel) সঙ্গে কিছু সময় কাটিয়ে তাঁদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই আদমপুর বিমানঘাঁটিই পাকিস্তানের টার্গেটে ছিল। সেদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে ভারতের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সেনার তৎপরতায় সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়। শুধু আদমপুর নয়, আরও বেশ কয়েকটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার ছক কষেছিল ইসলামাবাদ। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী সেই হামলা রুখে দেয়।

আরও পড়ুনঃ বৃন্দাবনে আধ্যাত্মিক আশ্রয়ে বিরাট-অনুষ্কা, অবসরের পরের দিনই আশ্রম সফর

এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর এক্স (X) হ্যান্ডলে ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আজ সকালে আদমপুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে গিয়ে আমাদের বীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করলাম। যাঁরা অকুতোভয়ে দেশের সুরক্ষায় লড়াই করছেন, তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ আমার কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। গোটা দেশ তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

Advertisement
ads ads

এর আগের দিন, সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রশংসায় বলেন, “আমাদের সেনা সদা সতর্ক। জল, স্থল, আকাশ— সব ক্ষেত্রেই প্রস্তুত। নতুন এক নর্মাল তৈরি করেছে ভারতীয় সেনা। ভবিষ্যতেও কেউ হুমকি দিলে সেই জবাব আরও কঠোর হবে। পারমাণবিক ব্ল্যাকমেল (Nuclear Blackmail) ভারত আর সহ্য করবে না।”

পাক-সমর্থিত জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে সটান বার্তা দিয়ে মোদী বলেন, “পহেলগাঁওয়ে যে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে, তা রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের (State Sponsored Terrorism) বড় প্রমাণ। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে আমরা বারবার প্রমাণ করেছি— ভারতই শ্রেষ্ঠ। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এও আমরা আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে দিয়েছি।”

উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় বেশ কয়েকজন সেনা শহিদ হন। তার জবাবে ভারত ৭ মে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালায়। এই প্রত্যাঘাতের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’। এরপর থেকেই সীমান্তে উত্তেজনার পারদ চড়ে, তবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুনিপুণ পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads