ভারতের সেনায় টেরিটোরিয়াল আর্মির নতুন ভূমিকা, নিরাপত্তা আরও দৃঢ়
Connect with us

হামলা

ভারতের সেনায় টেরিটোরিয়াল আর্মির নতুন ভূমিকা, নিরাপত্তা আরও দৃঢ়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, ভারতের সেনাপ্রধান (Chief of Army Staff) অনিল চৌহান-এর ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এবার থেকে ভারতীয় সেনা প্রধান, টেরিটোরিয়াল আর্মি (Territorial Army) বাহিনীর আধিকারিকদের প্রয়োজনমতো ডেকে পাঠাতে এবং কাজে লাগাতে পারবেন। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিবর্তন ঘোষণা করেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, টেরিটোরিয়াল আর্মি রুল, ১৯৪৮-এর ৩৩ নম্বর ধারা অনুসারে, সেনাপ্রধান তাদের বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োগ করতে পারবেন। এসব আধিকারিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, রসদ সরবরাহ, নাকা চেকিং এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হতে পারে।

ভারতে মোট ৩২টি ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটেলিয়ন বা টেরিটোরিয়াল আর্মি রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি ব্যাটেলিয়নকে প্রয়োজনে নিযুক্ত করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাটেলিয়নগুলোকে দেশের বিভিন্ন কমান্ড অঞ্চলে নিয়োগ করা হবে, যেমন দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, কেন্দ্রীয় এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড।

আরও পড়ুনঃ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক

Advertisement
ads

যদিও টেরিটোরিয়াল আর্মি সাধারণত যুদ্ধে বা সীমান্তে পাঠানো হয় না, তবে তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রাথমিকভাবে, তাদের কাজ সীমাবদ্ধ থাকে রসদ সরবরাহ, নাকা চেকিং এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা। তবে যদি কোনও সংকটপূর্ণ বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তখন তাদেরও যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে।

টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্যরা কারা?

ভারতের টেরিটোরিয়াল আর্মি একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী, যেখানে অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকরা ছাড়াও বেসামরিক পেশার ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত থাকেন। এই বাহিনীটি দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা এবং সহায়তা ব্যবস্থায় সেনাবাহিনীকে সহায়তা প্রদান করে। এর সদস্যদের মধ্যে অনেক বিখ্যাত ক্রীড়াবিদও রয়েছেন, যেমন কপিল দেব, শচীন তেন্ডুলকর, মহেন্দ্র সিং ধোনি, নীরজ চোপড়া, অভিনব বিন্দ্রা, রাজ্যবর্ধন সিং রাঠৌর ইত্যাদি, যাদের সামরিক সম্মান প্রদান করা হয়েছে এবং তারা এখন টেরিটোরিয়াল আর্মির অংশ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেমন রাশিয়া এবং চীন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নাগরিকদেরও যুদ্ধে পাঠানোর বিশেষ নিয়ম রয়েছে, তবে ভারতে এমন কোনও নিয়ম নেই। ভারতীয় সেনার রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে টেরিটোরিয়াল আর্মি প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement