স্বাস্থ্য
স্কুলে শিশুদের সামনে মদের আসর! পড়ুয়াদের মদ খেতে উৎসাহিত, সাসপেন্ড শিক্ষক
ডিজিটাল ডেস্কঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধুই পড়াশোনার জায়গা নয়, বরং শিশুদের কাছে তা দ্বিতীয় বাড়ির মতো। যেখানে শিক্ষকেরা শুধু পাঠ্যবই শেখান না, শেখান জীবনচর্যার মূলনীতি, নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যা ঘটেছে, তা গোটা সমাজকেই হতবাক করে দিয়েছে। শিশুদের সামনে বসেই মদের আসর সাজিয়ে বসলেন শিক্ষক! শুধু তাই নয়, গ্লাসে মদ ঢেলে দিয়ে নিজেই বললেন, ‘‘মদে জল মিশিয়ে খাও।’’
আরও পড়ুনঃ নতুন বউ শাশুড়ির সেবায়, স্বামী দিলীপ ব্যস্ত দলে—বিয়ের পরদিনও পাল্টাল না রুটিন
ঘটনাটি ঘটেছে কাটনি জেলার বারওয়াড়া ব্লকের খিরহানি গ্রামের এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মাটিতে বসে আছেন। তাঁর সামনে সারি দিয়ে বসে রয়েছে একদল খুদে পড়ুয়া। হঠাৎ দেখা যায়, শিক্ষকের হাতে মদের গ্লাস। ছাত্রদের সামনে সেই গ্লাস থেকে মদ ঢেলে খাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন তিনি। এক শিশুকে বলেন, ‘‘মদে জল মিশিয়ে খা।’’
भारत का दिल कहे जाने वाले मध्य प्रदेश में बीजेपी की सरकार है। और बीजेपी की सरकार में शिक्षा व्यवस्था का क्या हाल है, यह आप इस वीडियो को देखकर बेहतर समझ सकते हैं।
शिक्षा के मंदिर में एक शिक्षक मासूम बच्चों को खुलेआम शराब पिला रहा है। यह भाजपा सरकार की लापरवाही का नतीजा नहीं है तो… pic.twitter.com/vDxE92eUra
— Neeraj Kundan (@Neerajkundan) April 19, 2025
ভিডিওটি সামনে আসতেই জেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনাটি। জেলা শাসক দিলীপ কুমার যাদব দ্রুত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেন জেলা শিক্ষা আধিকারিক ওপি সিংকে। তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম লাল নবীন প্রতাপ সিং। এরপরই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ওই শিক্ষক আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন এবং সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ, তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রদের মদ খেতে উৎসাহিত করেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, “এই শিক্ষকরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কী শেখাচ্ছেন?” অন্য একজন মন্তব্য করেন, “এঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তি দরকার, যাতে আর কেউ এমন জঘন্য কাজ করার সাহস না পায়।”
স্কুলের মতো পবিত্র জায়গায় এমন কাণ্ডের ভিডিও সামনে আসায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়। শিক্ষা ব্যবস্থার নৈতিক অবক্ষয়ের এমন চিত্র সমাজের চিন্তনীয় বিষয় হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কী পরিণতি নেয় এবং শিক্ষা দপ্তর এমন ঘটনায় ভবিষ্যতে রাশ টানতে কী পদক্ষেপ নেয়।
