যাদবপুরের অচলাবস্থা ইচ্ছাকৃত? রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষামহলে
Connect with us

ভাইরাল খবর

যাদবপুরের অচলাবস্থা ইচ্ছাকৃত? রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষামহলে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে অপসারণ ও সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে ‘অবৈধ’ বলে রাজ্যপাল (সি ভি আনন্দ)। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু অভিযোগ তুললেন আসলে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের বিজেপির বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। রবিবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে রাজ্য সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ব্রাত্য বলেন, “রাজ্যপাল বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। পরিকল্পিতভাবে তিনি রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করছেন।”

এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল পাল্টা বলেন, “রাজ্যপাল শিক্ষাক্ষেত্রে তৃণমূলের দলীয়করণ আটকানোর চেষ্টা করছেন, তাই তৃণমূলের এত রাগ।” যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান এবং তাতে প্রদত্ত ডিগ্রির বৈধতা নিয়ে রাজ্যপালের আপত্তিকে একেবারেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আরও পড়ুনঃঅখিল গিরিকে লাঠিপেটার নিদান দিলীপের!

Advertisement
ads

সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, “এখানে অবৈধ শব্দটাই অবৈধ। রাজ্যপাল যা বলছেন, তার কোনও আইনি বা নৈতিক ভিত্তি নেই। সমাবর্তনের প্রতিটি ধাপে কর্মসমিতি, আর্থিক কমিটি ও আচার্যের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।” তিনি আরও জানান, রাজ্যপালের স্বাক্ষর না থাকার কারণেই একজনকে ডিএসসি ডিগ্রি দেওয়া যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু প্রশ্ন তোলেন, “সমাবর্তন কবে হয়েছে, তার হিসেব এখন কেন চাওয়া হচ্ছে? সেই হিসেব কোথায় জমা দিতে হবে?” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “যিনি উপাচার্যই নন, তাঁকে বরখাস্ত করা হচ্ছে! আবার তাঁকেই শো-কজ করা হচ্ছে! এর কোনো যুক্তি আছে?”

প্রাক্তন ও বর্তমান উপাচার্যদের সংগঠন ‘দ্য এডুকেশনিস্টস ফোরাম’-এর অন্যতম সদস্য ও যাদবপুরের প্রবীণ অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্রের বক্তব্য, “রাজ্যপাল একাই ক্ষমতা দখলে রেখে যাদবপুরে অচলাবস্থা তৈরির চেষ্টা করছেন।”

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (JUTA) সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “আমরা একাধিকবার রাজ্যপাল, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং বিকাশ ভবনকে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য চিঠি দিয়েছি। কিন্তু রাজ্যপাল পদটি ফাঁকা রেখেই চলেছেন।”

Advertisement
ads

এদিকে, যাদবপুরে স্থায়ী ডিন, রেজিস্ট্রার, ফিনান্স অফিসারসহ বিভিন্ন পদ শূন্য থাকায় রাজ্য সরকারও দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করছে শিক্ষামহল।

Continue Reading
Advertisement