ফুড
কিমচি তৈরি করুন ঘরেই—সহজ রেসিপি ও পুষ্টিগুণ!
ডিজিটাল ডেস্কঃ কোরিয়া এই দেশটির নাম শুনলে সবার প্রথমে আমাদের মাথায় ভাবনা আসে K-POP, কে- ড্রামা ইত্যাদি। তবে এই লাইনে কোরিয়ান ফুড ও কিন্তু রয়েছে। আর কোরিয়ার সবথেকে জনপ্রিয় খাবার হলো কিমচি। কিমচি হলো কোরিয়ান খাবারের অন্যতম প্রধান অংশ এবং প্রায় প্রতিটি খাবারের সাথে পরিবেশিত হয়। ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ার কারণে এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক থাকে, যা হজমের জন্য উপকারী। এটি শুধু সুস্বাদু নয়, বরং পুষ্টিগুণেও ভরপুর। কোরিয়ানরা কিমচিকে স্যুপ, ভাত, নুডলস ও বিভিন্ন রান্নার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে। কিমচি আজ সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, বিশেষত স্বাস্থ্যসচেতন মানুষদের মধ্যে।তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক কিমচির রেসেপি।
উপকরণ:
- ১টি বড় বাঁধাকপি
- ১/৪ কাপ লবণ
- ৪-৫ কাপ জল
মসলা মিশ্রণের জন্য:
- ১/২ কাপ মূলা (জুলিয়েন কাটা)
- ১ কাপ গাজর (পাতলা কাটা)
- ৪-৫ কোয়া রসুন (বাটা)
- ১ টেবিল চামচ আদা (বাটা)
- ২ টেবিল চামচ চিনি
- ২-৩ টেবিল চামচ গুচুগারু (কোরিয়ান রেড চিলি ফ্লেক্স)
- ২ টি বসন্ত পেঁয়াজ (কুচি করা)
- ১ টেবিল চামচ সয়া সস (ঐচ্ছিক)
প্রণালী: প্রথমে একটি বাঁধাকপিটি লম্বা টুকরো করে কেটে নিন। তারপর একটি বড় পাত্রে রেখে বাঁধাকপির প্রতিটি স্তরে লবণ ছিটিয়ে দিন। এর মধ্যে ৪-৫ কাপ জল দিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যেন জল ভালোভাবে বের হয়। নির্ধারিত সময় পর ঠান্ডা জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। তারপর একটি বড় বাটিতে রসুন, আদা, গুচুগারু, চিনি, সয়া সস একসাথে মিশিয়ে নিন। তারপর এর সঙ্গে গাজর, মূলা ও বসন্ত পেঁয়াজ মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন। তারপর হাত দিয়ে (গ্লাভস ব্যবহার করলে ভালো) মসলা মিশ্রণটি প্রতিটি বাঁধাকপির পাতার মধ্যে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। কিমচির জারটি ২-৩ দিন রুমের তাপমাত্রায় রেখে দিন, যাতে এটি ফারমেন্ট হয়। ফারমেন্টেশন চলাকালে কিমচির গন্ধ কিছুটা তীব্র হতে পারে, তাই এয়ারটাইট জার ব্যবহার করুন। প্রতিদিন ঢাকনা খুলে বাতাস বের করে দিতে হবে। ২-৩ দিন পর ফ্রিজে রেখে আরও ৫-৭ দিন পর খাওয়ার জন্য উপযুক্ত হবে। কিমচি দীর্ঘদিন ভালো রাখতে চাইলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। তারপর এটি ভাত, নুডলস, স্যুপ বা বার্গারের সঙ্গেও খাওয়া যায়। এই সহজ কিমচি রেসিপি ট্রাই করুন আর উপভোগ করুন আসল কোরিয়ান স্বাদ!
