ইটের বিকল্প প্লাস্টিক? দূষন রুখতে অভিনব প্রয়াস রায়গঞ্জে
Connect with us

রায়গঞ্জ

ইটের বিকল্প প্লাস্টিক? দূষন রুখতে অভিনব প্রয়াস রায়গঞ্জে

Dipa Chakraborty

Published

on

আরসিটিভি সংবাদ –প্লাস্টিক দূষন! যা বর্তমানে উদ্বেগের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারন মানুষের কাছে। প্লাস্টিক দূষণ হল পরিবেশ কর্তৃক প্লাস্টিক পদার্থের আহরণ যা পরবর্তীতে যে বন্যপ্রান ও মানবজাতীর ওপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে৷ নিয়মিত প্লাস্টিক পদার্থের ব্যবহার প্লাস্টিক দূষণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে ক্রমাগত। পলিথিন ব্যাগ, কসমেটিক প্লাস্টিক, গৃহস্থালির প্লাস্টিক কিংবা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্যের বেশিরভাগই পুনঃচক্রায়ন হয় না৷ এগুলো পরিবেশে থেকে বর্জ্যের আকার নেয়৷ এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সরকারি ভাবে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধও করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন –মাঠ থেকে উদ্ধার ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ আটক ১, চাঞ্চল্য এলাকায়

 

Advertisement
ads

কিন্তু তারপরেও অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় অসচেতনতার চিত্র। সেক্ষেত্রে সমাজে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসন। পরিবেশে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিককে একত্রিত করে “ইকো ব্রিক” তৈরী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক ভাবে সেই কর্মসূচি গ্রহন করে রায়গঞ্জের কর্নজোড়ায় অবস্থিত সূর্যদয় মূক ও বধির হোমের আবাসিক ছেলে-মেয়েরা। “ইকো ব্রিক” নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারনা নেই। আসলে বিষয় টি হল, দূষন রুখতে প্লাস্টিককে একত্রিত করে ইটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা। খানিকটা অবাক লাগলেও। এভাবে প্লাস্টিককে অনেকটাই নিঃশেষ করা সম্ভব বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই অনুযায়ী হোমের ছেলে-মেয়েদের স্পেশাল টাস্ক দেওয়া হয়।

 

আরও পড়ুন –পাকা রাস্তার দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক!

 

Advertisement
ads

যেখানে যথেষ্ট উৎসাহের সাথেই আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অব্যবহৃত প্লাস্টিক কে কুড়িয়ে এনে তাকে কুচি কুচি করে কেটে বোতলে যতটা সম্ভব ভরে শক্ত করা হয়। এভাবে একাধিক বোতল কে একত্রিত করে ইটের পরিবর্তে সিমেন্ট সহযোগে তার গাঁথনি দিয়ে বসার পাকা বেদী থেকে শুরু করে সীমানা প্রাচীর তৈরী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পুরো বিষয়টির তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত জেলাশাসক মানস মন্ডল। তিনি বলেন, এই কাজে বাচ্চারা যেমন উৎসাহিত তেমন সর্বস্তরের মানুষ এগিয়ে এলেই প্লাস্টিক বর্জনের লক্ষ্যমাত্রা পূরন হবে বলে আশাবাদী অতিরিক্ত জেলাশাসক মানস বাবু।

 

আরও পড়ুন –নিশীথ প্রামানিকের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর

অন্যদিকে, এধরনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত জেলাশাসককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হোমের অধ্যক্ষ পার্থসারথি দাস। তিনিও এই বিষয়ে ভীষন উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ২০ দিন ধরে এই কাজ করেছে ছেলে-মেয়েরা। ১৫ দিনে ৫০০ টি বোতল সম্পন্ন করেছে। আগামীতে আরও তৈরী করা হবে এই সামগ্রী।অন্যদিকে এই ধরনের কাজে সামিল হতে পেরে যারপরনাই আনন্দিত হোমের মূক ও বধির কিশোর কিশোরীরা। ইশারায় হাত নেড়ে তা প্রকাশ করে সকলেই।

Advertisement
ads