‘দাদা’র মাথাব্যথা সারাচ্ছে প্রথম বর্ষের ছাত্রী! তৃণমূল ছাত্র নেতার কীর্তিতে তোলপাড় কলেজ ক্যাম্পাস
Connect with us

রাজনীতি

‘দাদা’র মাথাব্যথা সারাচ্ছে প্রথম বর্ষের ছাত্রী! তৃণমূল ছাত্র নেতার কীর্তিতে তোলপাড় কলেজ ক্যাম্পাস

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের কলেজ চত্বরকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর বিতর্ক! এইবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) রাজপুর ইউনিটের সভাপতি প্রতীক কুমার দে (Pratik Kumar De)-কে ঘিরেই তীব্র অভিযোগের ঝড়। অভিযোগ, সোনারপুর কলেজের (Sonarpur College) ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে দিয়ে ‘মাথা টেপানোর’ ঘটনা ঘটিয়েছেন বছর ৪৪-এর এই ছাত্রনেতা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতি।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও-তেই ধরা পড়েছে বিতর্কিত সেই দৃশ্য, যেখানে ছাত্রীকে দিয়ে প্রকাশ্যে ‘সেবা’ করাতে দেখা গিয়েছে ‘দাদা’ প্রতীককে। যদিও প্রতীক দে নিজে দাবি করেছেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ মিথ্যে ও বিকৃত। TV9 বাংলার কাছে তাঁর বক্তব্য, “এই ভিডিও এডিট করা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা ছড়ানো হয়েছে। পুরো ঘটনাটি সাজানো।”

আরও পড়ুনঃ হাসপাতাল ছেড়ে এখন ঘরে, অভিজিৎকে দেখতে গিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

কিন্তু এত সহজে পার পেতে দিচ্ছে না তৃণমূলের অন্দরমহলই। সোনারপুর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার (Papia Halder) জানিয়েছেন, “এই ভিডিও যে AI নয়, সেটি বোঝার জন্য ভিডিও এডিটিং শিখতে হয় না। আমি নিজে দেখেছি। বিষয়টি দলকেও জানিয়েছি। আমি আশাবাদী, দ্রুত দল সিদ্ধান্ত নেবে।”

Advertisement
ads

বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়েছে প্রতীকের অতীত। তিনি নিজে বারুইপুর কলেজের প্রাক্তনী। অথচ তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের (Lovely Moitra) ঘনিষ্ঠ বলেই সোনারপুর কলেজের কো অর্ডিনেটর পদে তাঁর নিয়োগ— এমনটাই রাজনৈতিক মহলের দাবি। যদিও লাভলি মৈত্র এই বিষয়ে মুখ খোলেননি।

বিজেপি নেতা সুনীপ দাস (Sunip Das) কটাক্ষ করে বলেন, “প্রতীক এতটাই ক্ষমতাশালী যে তাঁর বিরুদ্ধে আগেও মহিলা কাউন্সিলর অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তবু কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এবার তো ভিডিওসহ প্রমাণও সামনে এসেছে!”

এই ঘটনার পর, কলেজ চত্বর থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল, সর্বত্রই উঠেছে প্রশ্ন— কতদূর যাবে এই ‘দাদার দাপট’?

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement