দেশের খবর
মোদির সঙ্গে প্রথমবার কথা সুশীলার, নেপালের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বার্তা দিলেন দুই নেতা?
ডিজিটাল ডেস্কঃ নেপালের অন্তর্বর্তী (Interim) প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন সুশীলা কারকি। দুই প্রতিবেশী দেশের এই রাষ্ট্রনেতাদের আলাপচারিতায় উঠে এল নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বন্ধুত্ব এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা।
সূত্রের খবর, এই ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী মোদি নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক সমবেদনা (Condolence) জানিয়েছেন সুশীলা কারকিকে। সেইসঙ্গে, অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর (Interim Prime Minister) পদে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দনও (Congratulations) জানান তিনি।
এক্স (X) হ্যান্ডেলে বৃহস্পতিবার মোদি লেখেন –
“নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকির সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্য আমি তাঁকে সমবেদনা জানিয়েছি। একইসঙ্গে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য ভারত যে সবসময় তাঁর পাশে রয়েছে, সেকথাও ব্যক্ত করেছি। আগামিকাল নেপালের জাতীয় দিবস। সেই উপলক্ষে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী ও নেপালের জনগণকে শুভেচ্ছা জানাই।”
উল্লেখ্য, ‘জেন জি’ (Gen Z) আন্দোলনের জেরে কে পি শর্মা ওলির সরকারের পতনের মাত্র চারদিন পর, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বভার যায় সুশীলা কারকির হাতে। গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ পাওয়ার পরই তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ (Gratitude) জানান।
সুশীলা কারকি বলেন –
“মোদিজিকে আমি নমস্কার জানাই এবং তাঁকে সম্মান করি। ভারতের প্রতি আমার অপরিসীম শ্রদ্ধা ও স্নেহ রয়েছে, কারণ তারা সবসময় নেপালের পাশে থেকেছে।”
তিনি আরও বলেন –
“নেপালে বহু পুরনো সমস্যা রয়েছে। পরিস্থিতি এখন আরও জটিল। কিন্তু দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। এটি নেপালের এক নতুন সূচনার সময়।”
তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। জানা যায়, নেপালের ৫ হাজার তরুণ আন্দোলনকারী একটি ভার্চুয়াল (Virtual) বৈঠক করে অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করে। প্রস্তাব গ্রহণের আগে সুশীলা অন্তত ১,০০০ জনের লিখিত সমর্থন চেয়েছিলেন। চূড়ান্তভাবে তাঁর পক্ষে ২,৫০০-র বেশি স্বাক্ষর সংগৃহীত হয়।
অবশেষে, গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ (Oath) নেন তিনি।


