তৃতীয় স্ত্রী ও প্রেমিকের হাতে খুন ষাটোর্ধ প্রৌঢ়, কুয়ো থেকে বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার
Connect with us

খুন

তৃতীয় স্ত্রী ও প্রেমিকের হাতে খুন ষাটোর্ধ প্রৌঢ়, কুয়ো থেকে বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) ফের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড! এক প্রৌঢ়কে খুন করে দেহ বস্তা ও কম্বলে (Blanket) মুড়ে কুয়োয় (Well) ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁর তৃতীয় স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। মৃত ব্যক্তির নাম ভাইয়ালাল রাজক (বয়স ৬০)। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে রুদ্ধশ্বাস ষড়যন্ত্রের ছক।

ঘটনাটি ঘটেছে সাকারিয়া গ্রামে। মৃতের তিন স্ত্রী ছিল। প্রথম স্ত্রী বহু আগেই তাঁকে ছেড়ে চলে যান। দ্বিতীয় স্ত্রী গুড্ডি বাইয়ের (Guddi Bai) সঙ্গেও দাম্পত্যে অশান্তি ছিল সন্তান না থাকায়। এরপর ভাইয়ালাল বিয়ে করেন গুড্ডি বাইয়ের ছোট বোন মুন্নি ওরফে বিমলাকে (Bimla)। তৃতীয় স্ত্রী বিমলার সঙ্গে তাঁর দুই সন্তানও ছিল।

কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিমলা ও লাল্লু ওরফে নারায়ণ দাসের (Narayan Das) মধ্যে। বহুদিন ধরেই ভাইয়ালালকে সরানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তারা। এই পরিকল্পনায় যুক্ত হয় ধীরজ কোল (Dheeraj Kol) নামক আরেক ব্যক্তি।

Advertisement
ads

পুলিশ জানায়, ৩০ আগস্ট গভীর রাতে ভাইয়ালাল যখন নিজের নির্মীয়মাণ বাড়ির খাটিয়ায় ঘুমোচ্ছিলেন, তখনই অভিযুক্ত লাল্লু ও ধীরজ সেখানে পৌঁছে লোহার রড (Iron Rod) দিয়ে একাধিকবার মাথায় আঘাত করে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর দেহ কম্বলে মুড়ে, বস্তায় ভরে, শাড়ি ও দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে দেওয়া হয় গ্রামের কুয়োয়।

পরদিন সকালে কুয়োয় কিছু অস্বাভাবিক জিনিস ভাসতে দেখে সন্দেহ হয় ভাইয়ালালের দ্বিতীয় স্ত্রী গুড্ডি বাইয়ের। গ্রামবাসীদের ডাকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ উদ্ধার করে। কুয়ো থেকেই উদ্ধার হয় ভাইয়ালালের মোবাইল ফোনও।

ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট, মাথায় আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের (Blood Loss) কারণে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে রহস্যভেদ করে পুলিশ অভিযুক্ত বিমলা, লাল্লু ও ধীরজকে গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে নেয়।

Advertisement
ads