সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা নেই, দামোদর থেকে অবাধে কাটা হচ্ছে বালি!
Connect with us

রাজ্যের খবর

সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা নেই, দামোদর থেকে অবাধে কাটা হচ্ছে বালি!

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সতর্কবার্তা দিলেও দামোদর নদের তীরবর্তী এলাকায় অবৈধ বালিখাদান রমরমিয়ে চলছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে এই বালিখাদান পরিচালিত হচ্ছে প্রকাশ্যেই। অভিযোগ, স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের মদতেই এই বালি মাফিয়ারা কার্যত অবাধ রাজত্ব কায়েম করেছে।

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার সাহাহোসেনপুর এলাকায় দিনে-দুপুরে চলছে বালি উত্তোলন। বালির ডাম্পার নির্দ্বিধায় গ্রামের রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে, যার ফলে গ্রামীণ রাস্তার অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিলেও তা মানা হচ্ছে না। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। গ্রামের সাধারণ মানুষ বালি মাফিয়াদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের নানা হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিরোধী দলগুলিও বিষয়টি নিয়ে সরব হলেও, কার্যত কোনও পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। শাসকদলের ভেতরেই একাংশ এই বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে গুঞ্জন চলছে।

আরও পড়ুনঃ আরজি কর কান্ড! ফের CBI-এর ভূমিকা নিয়ে হতাশ নির্যাতিতার পরিবার

বালি পাচারের ফলে সরকারের বিশাল অঙ্কের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। অথচ, খনিজ সম্পদ দপ্তর এবং জেলা প্রশাসন কার্যত নিশ্চুপ। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের ভূমি ও বন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নিত্যানন্দ ব্যানার্জি জানিয়েছেন, “সরকারের নির্দেশ রয়েছে আইন মেনে কাজ করার। তবে আমি প্রতিটি জায়গায় পৌঁছতে পারি না। পুলিশ ও ভূমি দপ্তরকে বলেছি ব্যবস্থা নিতে।” কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ, বালি মাফিয়াদের সঙ্গে পুলিশের সখ্যতা থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালি উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement
ads

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য, বালি পাচার অবিলম্বে বন্ধ না হলে, পরিবেশের বিপর্যয়ের পাশাপাশি সরকার বিশাল রাজস্ব হারাবে। এখন দেখার, প্রশাসন আদৌ কোনও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না, নাকি বালি মাফিয়াদের রমরমা আরও বাড়বে!

Continue Reading
Advertisement