বদলের বাংলায় রাস্তার নামের পরিবর্তন! একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পেতে চলেছে নতুন পরিচয়
Connect with us

ভাইরাল খবর

বদলের বাংলায় রাস্তার নামের পরিবর্তন! একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পেতে চলেছে নতুন পরিচয়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ফের শুরু হতে চলেছে রাস্তার নাম পরিবর্তনের (Renaming) প্রক্রিয়া। কলকাতার (Kolkata) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সরণির নাম বদলের প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ধাপে ধাপে নতুন নাম দেওয়া হতে পারে বেশ কিছু রাস্তার।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্ব বাংলা সরণির (Biswa Bangla Sarani) নাম বদলে মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের (Sri Chaitanya Dev) নামে করার প্রস্তাব সামনে এসেছে। পাশাপাশি পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট (Park Circus Seven Point) সহ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার রাস্তার নাম পরিবর্তনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। এমনকী লেলিন ও কার্ল মার্কসের (Lenin-Marx) নামাঙ্কিত কিছু সরণির নামও বদলের তালিকায় রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

রাস্তার নাম পরিবর্তনের জন্য তৈরি কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন কার্তিক মহারাজ। তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে বাংলার ইতিহাস, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা চলছে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোন এলাকার জন্য কোন ব্যক্তিত্বের নাম উপযুক্ত হবে, তা যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে গোপাল মুখার্জি রোড (Gopal Mukherjee Road) করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পরই কলকাতার আরও কয়েকটি রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ শুরু হয়।

Advertisement
ads ads

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কলকাতার রাস্তার নামকরণে ভারতীয় ঐতিহ্য (Indian Heritage) ও সংস্কৃতির গুরুত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, অত্যাচারী বিদেশি শাসক বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের নামে রাস্তার নাম থাকা উচিত নয়। তবে দেশের জন্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে।

সূত্রের খবর, পুজোর আগেই বিশ্ব বাংলা সরণিতে নতুন নামের ফলক বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি অনুমোদনের পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাস্তার নামও পরিবর্তন করা হবে।

এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশ ইতিহাস পরিবর্তনের অভিযোগ তুললেও সরকার পক্ষের দাবি, এটি ঐতিহাসিক ভুল সংশোধনের (Historical Correction) উদ্যোগ।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads