Connect with us

রাজনীতি

“ধর্ম আর ভোট একসঙ্গে খেলা নয়”, মোদীর মাতৃ আরাধনা নিয়ে ফের আগুন ঝরালেন মহুয়া

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় পা রেখেই রাজ্যের দেবী আরাধনায় নিজেকে ভাসালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। দুর্গাপুরের সভায় বক্তব্য শুরুতেই উচ্চারিত হল, “জয় মা কালী, জয় মা দুর্গা”—যা নিয়ে নতুন করে রাজনীতির উত্তাপ। বাঙালির মন জয় করতেই কি এই ধর্মীয় বার্তা? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। আর সেই প্রশ্নকে কটাক্ষে পরিণত করলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। বললেন, ‘‘মা কালী ধোকলা খান না। উনি কোনওদিন খাবেনও না। প্রধানমন্ত্রী একটু দেরি করে ফেলেছেন তাঁকে ডাকতে।’’

গতকাল (শুক্রবার) দুর্গাপুরের জনসভায় বিজেপি প্রধান মোদী মঞ্চে উঠে শুরুতেই মাতৃ আরাধনার স্বর উচ্চারণ করেন—যেখানে ‘জয় শ্রীরাম’-এর বদলে এবার শোনা যায় কালী-দুর্গার নাম। এর সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা— ভোটের প্রাক্কালে কি তবে বাংলার ভোটারদের মন পেতেই এই কৌশল?

আরও পড়ুনঃ রাস্তার মাঝে ১৫ বছরের ছাত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, ‘বেটি বাঁচাও’ স্লোগানে কটাক্ষ শশী পাঁজার

সেই পটভূমিতেই তৃণমূল সাংসদের কটাক্ষ—“বাঙালি ভোটের লোভে মা কালীর নাম নিচ্ছেন! এখন বুঝছেন বাংলার মাটি-মা-মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক কতটা গভীর!” মহুয়ার তীর্যক মন্তব্যে মোদীর গুজরাতি পরিচিতির দিকেও ইঙ্গিত স্পষ্ট। তিনি বলেন, “উনি ধোকলা খান, মা কালী নন।”

Advertisement
ads

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ‘মা কালী’ বিষয়ে মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেবার তিনি বলেছিলেন, মা কালীকে তিনি এমন এক দেবী হিসেবে কল্পনা করেন যিনি মাংস ও মদ্যপান গ্রহণ করেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়, যদিও তিনি তা ব্যক্তিগত ভাবনার অধিকার বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

এই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে বাংলায় আবারও ধর্মীয় রাজনীতির মঞ্চ উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। সামনে লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই বাংলার ‘মা’দের নাম নিয়ে দিল্লির নেতারা কতটা জায়গা দখল করতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading
Advertisement