ত্রিপুরায় ধৃত পাকিস্তানি মহিলা, নেপালের জেল ভেঙে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশে
Connect with us

পাকিস্তান

ত্রিপুরায় ধৃত পাকিস্তানি মহিলা, নেপালের জেল ভেঙে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ত্রিপুরার (Tripura) দক্ষিণ জেলার সীমান্ত শহর সাবরুমে (Sabroom) এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ৬৫ বছর বয়সি এক মহিলাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ, তিনি পাকিস্তানের (Pakistan) নাগরিক এবং নেপালের (Nepal) জেল ভেঙে পালানো এক আন্তর্জাতিক মাদক পাচারচক্রের (drug trafficking ring) সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম লুইস নিঘাত আখতার ভানো (Luis Nighat Akhtar Bhano)। তাঁকে প্রথমে সাবরুম রেলস্টেশনে আটক করে Government Railway Police (GRP)। পরে তাঁকে হস্তান্তর করা হয় সাবরুম থানায়। থানার আধিকারিক নিত্যানন্দ সরকার জানান, ওই মহিলা বাংলাদেশে (Bangladesh) অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে সন্দেহ।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। জানা যাচ্ছে, লুইস নিঘাত পাকিস্তানের শেখুপুরা (Sheikhupura) এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ গোলাফ ফারাজ নামে এক ব্যক্তির স্ত্রী। তিনি ২০১২-১৩ সালের দিকে পাকিস্তানি পাসপোর্ট (passport) ব্যবহার করে নেপালে প্রবেশ করেন এবং সেখানে মাদক পাচারের কাজ শুরু করেন।

২০১৪ সালে ১ কেজি ব্রাউন সুগার (brown sugar) সহ তাঁকে গ্রেফতার করে নেপাল পুলিশ। আদালত তাঁকে ১৫ বছরের জেল দেয়। দীর্ঘদিন কাঠমান্ডুর (Kathmandu) সংশোধনাগারে ছিলেন তিনি। কিন্তু গত সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে ঘটে যাওয়া একাধিক জেল ভাঙার (jailbreak) ঘটনার সময়, তীব্র সহিংসতার সুযোগে পালিয়ে যান তিনি।

Advertisement
ads

নেপালে সেই সময়ে প্রায় ১৩ হাজারের বেশি কয়েদি জেল থেকে পালায়। অনেকেই ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে ভারতের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আটকও করা হয়েছে। এই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন লুইস নিঘাত আখতার ভানো।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধৃতকে আদালতে তোলা হবে এবং পুলিশ হেফাজতে (police custody) নিয়ে বিস্তারিত জেরা করা হবে। তাঁর নাগরিকত্ব, ভারতে আসার উদ্দেশ্য এবং কোনও জঙ্গি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি না—তা খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

ঘটনার জেরে ত্রিপুরা সীমান্তে (border security) সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির (central intelligence agencies) সঙ্গেও রাজ্য প্রশাসন যোগাযোগ রেখে চলেছে বলে জানা গেছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement