শান্তি আলোচনার মাঝেই ফের হুমকি নেতানিয়াহুর, বললেন হামাসের নিরস্ত্রীকরণ হবেই
Connect with us

বিশ্বের খবর

শান্তি আলোচনার মাঝেই ফের হুমকি নেতানিয়াহুর, বললেন হামাসের নিরস্ত্রীকরণ হবেই

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গাজা নিয়ে শান্তি প্রস্তাবের (peace proposal) আবহে জারি থাকল ইজরায়েলের কড়া অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “হামাসের নিরস্ত্রীকরণ (disarmament) হবেই— নরমে হোক বা গরমে।” সেই সঙ্গে তাঁর ইঙ্গিত, গাজা থেকে এখনই সেনা সরানোর প্রশ্নই নেই।

শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে (televised address) নেতানিয়াহু বলেন,

“হামাসের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া হবেই। গাজা থেকেও সেনা একসময় সরবে। সেটা হবে হয় সরল পথে, নয় কঠিন পথে— কিন্তু হবেই।”

এই বক্তব্য আসে এমন সময়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর উদ্যোগে শান্তি আলোচনা শুরু হতে চলেছে। তার আগেই নেতানিয়াহুর এই বার্তা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

এর আগে, গাজা যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে বিশেষ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পরেই হোয়াইট হাউস (White House) একটি ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনা (peace plan) প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়েছে—

Advertisement
ads
  • গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি (ceasefire)

  • ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত পণবন্দি (hostages) মুক্তি

  • গাজায় নতুন সরকার গঠন

  • এবং বিপুল ত্রাণ (humanitarian aid) পৌঁছে দেওয়া হবে রাষ্ট্রসংঘ ও রেড ক্রসের তত্ত্বাবধানে

এই প্রস্তাবে ইজরায়েলের পাশাপাশি সম্মতি জানায় হামাস (Hamas)-ও।

তবে এর মধ্যেই শনিবার সকাল থেকে গাজা শহর ও দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস (Khan Younis) এলাকায় ইজরায়েলি সেনার (Israeli Forces) গোলাবর্ষণে মারা গেছেন অন্তত ৬ জন। এর মধ্যে গাজা শহরে ৪ জন এবং খান ইউনিসে ২ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

এই হামলার পরই ফের সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, শান্তি আলোচনা চললেও ইজরায়েল হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করেই ছাড়বে— তা কূটনীতির মাধ্যমে হোক বা সেনা অভিযান (military action) দিয়েই হোক।

এখন প্রশ্ন উঠছে— বাস্তবে কতটা সফল হবে এই শান্তি পরিকল্পনা? আর গাজা কি সত্যিই মুক্ত হবে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত থেকে?

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement