দেশ
‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’-এর বিশেষ প্রদর্শনী রাষ্ট্রপতি ভবনে, গর্বিত ভারতীয় চলচ্চিত্র
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে আরেকটি গর্বের অধ্যায় সংযোজিত হতে চলেছে। পরিচালক-অভিনেতা ঋষভ শেঠি (Rishab Shetty)-র পরিচালনায় নির্মিত ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’ (Kantara Chapter 1) এবার রাষ্ট্রপতি ভবনে (Rashtrapati Bhavan) প্রদর্শিত হবে। আজ রবিবার, ৫ই অক্টোবর, এই বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত থাকবেন অভিনেতা ঋষভ শেঠি, অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্ত (Rukmini Vasanth) এবং প্রযোজক চালুভে গৌড়া (Chaluve Gowda)।
ছবিটি মুক্তির পর থেকেই একের পর এক বক্স অফিস (Box Office) রেকর্ড ভেঙে নজির গড়ছে। মাত্র তিন দিনের মধ্যে ভারতে ১৪০ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি। এমনকি দুই দিনের মাথায় এটি বিশ্বব্যাপী ১৫১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে পিছনে ফেলেছে ‘মিরাই (142 Cr)’, ‘কেশরী চ্যাপ্টার ২ (144 Cr)’, এবং ‘স্কাই ফোর্স (150 Cr)’-এর মতো সফল ছবিকেও।
পর্যালোচক এবং দর্শকরা একে বলছেন “অসাধারণ” ও “চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ“। ছবির সাফল্যে অভিভূত হয়ে জুনিয়র এনটিআর (Jr. NTR), প্রভাস (Prabhas) এবং যশ (Yash)-এর মতো তারকারাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন পরিচালক ঋষভকে।
পরিচালক রাম গোপাল বর্মা (Ram Gopal Varma) এক্স হ্যান্ডেলে (X) লিখেছেন—
“কান্তারা FANTAAASTICCCC। ভারতের সমস্ত চলচ্চিত্র নির্মাতাদের @Shetty_Rishab এবং তাঁর দলের BGM, সাউন্ড ডিজাইন, সিনেমাটোগ্রাফি, প্রোডাকশন ডিজাইন এবং VFX-এ দেওয়া অবিশ্বাস্য প্রচেষ্টা দেখে লজ্জিত হওয়া উচিত… তাঁদের এই প্রচেষ্টার জন্যই #KantaraChapter1 একটি ব্লকবাস্টার হওয়ার যোগ্য।“
হোম্বালে ফিল্মস (Hombale Films) প্রযোজিত এই ছবিটি ২০২২ সালের সুপারহিট ‘কান্তারা’-এর প্রিক্যুয়েল (prequel)। প্রেক্ষাপট প্রাক-ঔপনিবেশিক উপকূলীয় কর্ণাটক (Karnataka)। যেখানে দেবতা ও ‘গুলিকা’-এর পূর্ব ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে ঋষভ শেঠিকে দেখা গেছে বর্মে নামের এক যোদ্ধার চরিত্রে। তাঁর গ্রাম জড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী কাদাম্বা রাজ্যর সঙ্গে সংঘাতে। রাজা বিজয়েন্দ্র (অভিনয়ে জয়রাম) শান্তি প্রতিষ্ঠা করলেও, তাঁর পুত্র কুলশেখরা (Gulshan Devaiah) বনের সম্পদ দখল করতে বর্মের এলাকায় আগ্রাসন চালায়। রাজকুমারী কনকবথি (Rukmini Vasanth) মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত শুরু হয় এক ভয়ংকর সংঘর্ষ।
‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’-এর রাষ্ট্রপতি ভবনে স্ক্রিনিং শুধু এই ছবির নয়, বরং গোটা ভারতীয় সিনেমার জন্যই এক গর্বের মুহূর্ত।


