ভাইরাল খবর
সরকারি কর্মীদের জন্য নবান্নের জরুরি সার্কুলার! অনুমতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমে কথা বললেই কড়া ব্যবস্থা
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে নতুন সরকার (Government) গঠনের পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে একের পর এক কড়া নিয়ম চালু করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তার পর এবার সরাসরি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বাকস্বাধীনতায় কড়া রাশ টানল নবান্ন। গত ১৯ মে ২০২৬ এই মর্মে একটি জরুরি সার্কুলার (Circular) জারি করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।
পার্সোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস (P&AR) দফতর থেকে জারি করা এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই সমস্ত সরকারি বিভাগের প্রধান, জেলাশাসক এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়মের আওতায় আইএএস (IAS), ডব্লিউবিসিএস (WBCS), রাজ্য পুলিশ সার্ভিসের (WBPS) আধিকারিকদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, পুরসভা, পুরনিগম, জেল কর্মী এবং স্বশাসিত সংস্থার কর্মীরাও থাকছেন।
নির্দেশিকায় মূলত ৫টি বিষয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা (Prohibition) জারি করা হয়েছে:
-
মিডিয়া অনুষ্ঠানে যোগদানে বাধা: সরকারের আগাম অনুমতি (Permission) ছাড়া কোনো কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে বেসরকারি বা কোনো মিডিয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না।
-
তথ্য বা নথি ফাঁস বন্ধ: সরকারি কোনো আদেশ বা অনুমতি ছাড়া প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংবাদমাধ্যমের (Media) কাছে কোনো সরকারি ফাইল বা নথি পাঠানো যাবে না।
-
লেখালেখি ও সম্পাদনা নিষিদ্ধ: অনুমতি ছাড়া সংবাদপত্র সম্পাদনা করা, বক্তব্য রাখা বা চিঠি লেখা যাবে না।
-
নীতির সমালোচনা নয়: সমাজমাধ্যম (Social Media) বা অন্য কোনো উপায়ে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ মন্তব্য করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
-
কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষতি নয়: এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না যা কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক বা বিদেশের সাথে ভারতের কূটনৈতিক (Diplomatic) সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
নবান্ন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (কনডাক্ট) রুলস, ১৯৬৮ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ (Administrative Action) নেওয়া হবে, এমনকি তাঁর চাকরিও চলে যেতে পারে।
