দেশের খবর
মুইজ্জুর আমন্ত্রণে মালদ্বীপে মোদি! বন্ধুত্বের বার্তা চিনকে চাপে ফেলল
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত-মালদ্বীপ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনা করতে এবার দ্বীপরাষ্ট্রে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। চিনপন্থী রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) আমন্ত্রণে দু’দিনের সফরে শুক্রবার মালদ্বীপ পৌঁছন মোদি। ব্রিটেন সফর সেরে সরাসরি মালেতে এসে পৌঁছলে তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু নিজে। বিমান থেকে নামার পর প্রথাগত কূটনীতির বাইরে গিয়ে আলিঙ্গন করে উষ্ণতা বিনিময় করেন দুই রাষ্ট্রনেতা।
রাজধানী মালেতে পৌঁছতেই রাস্তাজুড়ে ‘Bharat Mata Ki Jai’ ও ‘Vande Mataram’-এর ধ্বনি। প্রবাসী ভারতীয়রাও স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর। পরে মালদিভিয়ান ভাষায় নিজের X (এক্স) হ্যান্ডলে মোদি লেখেন, “President Muizzu welcoming me at the airport himself reflects the depth of our ties. I am confident this visit will further elevate India-Maldives relations.”
މާލެ އާދެވިއްޖެ. އަޅުގަނޑަށް މަރްޙަބާ ކިޔުމަށް ރައީސް މުޢިއްޒު އެއަރޕޯޓަށް ވަޑައިގެންނެވުމުން ވަރަށް އުފާކުރަން. އިންޑިއާ އާއި ދިވެހިރާއްޖޭގެ ގުޅުން ކުރިއަށް އޮތްދުވަސްތަކުގައި އާ އުސްމިންތަކަކަށް އުފުލިގެންދާނެކަން އަޅުގަނޑަށް ޔަޤީން.@MMuizzu pic.twitter.com/JHmGkGrrxV
— Narendra Modi (@narendramodi) July 25, 2025
উল্লেখযোগ্যভাবে, মালদ্বীপের ৬০তম জাতীয় দিবসে গেস্ট অব অনার হিসেবে মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ২৫ ও ২৬ জুলাই থাকবেন তিনি মালদ্বীপে। এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ভারতের সহায়তায় তৈরি একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করবেন তিনি।
Why are you hugging that China puppet Muizzu guy forcefully Modi 🤦🏻♂️
An Handshake was enough.
You are literally pulling him for a Hug 🫂 #Maldives #ModiinMaldives pic.twitter.com/QgK5wQylvO
— 👑Che_Krishna🇮🇳💛❤️ (@CheKrishnaCk_) July 25, 2025
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের শেষদিকে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়ার পর মুইজ্জু প্রথম ভারতবিরোধী অবস্থান নেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁর অবস্থান বদলাতে থাকে এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর দিল্লি সফরেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মেরামতের বার্তা দেন তিনি। এবার মোদির সফরের মাধ্যমে সেই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চিন যে মালদ্বীপে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল, তা এই সফরে খানিকটা ব্যাকফুটে যাবে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।