দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে কুমার স্পষ্ট জানান, “আমরা তিনজন কমিশনার একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। বাংলায় বা অন্য কোনও রাজ্যে বিশেষ সংশোধনী কবে হবে, সেই ঘোষণা যথাসময়ে করা হবে।”
উল্লেখ্য, এর আগে জুলাই মাসে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) শেষ বিশেষ সংশোধনের তথ্য প্রকাশ করে। জানা যায়, ২০০২ সালে হওয়া সেই সংশোধনের নথি এখনও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের (CEO) ওয়েবসাইটে রয়েছে। তাতে ২৩ জেলার মধ্যে ১১টির তথ্য পাওয়া যায়— কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া। মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কেবল ১০৩টির তথ্য তাতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে এই এসআইআরের সম্ভাবনাকে ঘিরেই শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরোধিতা জোরদার হয়েছে। তাদের দাবি, বিহারে যেমন সংশোধনের নামে এনআরসি (NRC) চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলাতেও একইভাবে ফাঁদ পাতা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলায় তিনি কোনওভাবেই এসআইআর হতে দেবেন না। বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) উদ্দেশে তাঁর কড়া বার্তা— “কারও নাম কেটে দেবেন না, কাউকে অকারণে হয়রানি করবেন না।”
২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে নতুন করে ভোটার তালিকা সংশোধন হবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। কমিশনের পরবর্তী ঘোষণার দিকে তাকিয়ে এখন রাজনৈতিক মহল।