দেশ
মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনে বিরাট সাফল্য ভারতের ইসরোর
নিউজ ডেস্ক , ০১ মার্চ : ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো রবিবার সকাল ১০ টা ২৪ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে PSLV-C-51 রকেটের মাধ্যমে ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ১৯ টি কৃত্রিম উপগ্রহ সাফল্যের সঙ্গে উৎক্ষেপণ করেছে।
ব্রাজিলের ৬৩৭ কিলোগ্রাম ওজনের আমাজনিয়া-ওয়ান উপগ্রহটি কক্ষপথে স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। এটি হলো নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড এর প্রথম বাণিজ্যিক মিশন। ব্রাজিলের এই উপগ্রহটি, ভূপর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা হবে। রিমোট সেন্সিং-এর মাধ্যমে এ’টির সাহায্যে, আমাজন বনাঞ্চলের যাবতীয় খবরাখবর এবং ব্রাজিলের কৃষি বৈচিত্র্য সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এদিকে এই সফল উৎক্ষেপণের পর, ব্রাজিল ও ভারত, সন্তোষ প্রকাশ করে বলে আগামী দিনে দু’টি দেশ মহাকাশ গবেষণায় আরো এগিয়ে যাবে। ইসরোর চেয়ারম্যান ডঃ শিবম বলেন, আমাজনিয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে ভারত গর্বিত। ব্রাজিলের তৈরি এই প্রথম কোনো উপগ্রহ ভারত, মহাকাশে পাঠাতে সমর্থ হ’লো। প্রসঙ্গত, ‘স্পেসকিডজ ইন্ডিয়া’ (SpaceKidz India) নামে সংস্থাটির ভারতীয় পড়ুয়ারা সাহায্যে উপগ্রহটি তৈরি করেছে।এর তিনটি সায়েন্টিফিক পে-লোডস তিনটি কাজ করবে। একটি মহাকাশে তেজস্ক্রিয়তার উপর গবেষণা চালাবে। দ্বিতীয়টি ম্যাগনেটোস্ফিয়ার গবেষণায় এবং তৃতীয়টি লো-পাওয়ার ওয়াইড-এরিয়া কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের তৈরিতে কাজ করবে। ব্রাজিলের কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়াও চেন্নাইয়ের স্পেসকিডস ইন্ডিয়ার SD-SAT উপগ্রহটি। এর নাম রাখা হয়েছে সতীশ ধাওয়ান স্যাট। এরই শীর্ষ প্যানেলে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিল। এছাড়া একটি চিপে করে ভগবত গীতার ই-ভার্সনও পাঠানো হয়েছে। কেন এমন উদ্যোগ? এ প্রসঙ্গে ইসরোর সাফাই, “আত্মনির্ভর ভারত মিশনের অধীনে এই স্যাটেলাইটটি তৈরি হয়েছে। এই আত্মনির্ভরতার ডাক দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই তাঁর ছবি সেথানে রাখা হয়েছে। একই বিষয় মাথায় রেখে ভগবত গীতাও রাখা হয়েছে।”
