আইআইএম জোকা ধর্ষণকাণ্ডে ধৃত ছাত্র জামিনে মুক্ত, অভিযোগকারিণীর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
Connect with us

ভাইরাল খবর

আইআইএম জোকা ধর্ষণকাণ্ডে ধৃত ছাত্র জামিনে মুক্ত, অভিযোগকারিণীর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আইআইএম জোকা-র ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত পড়ুয়াকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিল আলিপুর আদালত। শনিবার পুলিশ হেফাজতের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আদালতে পেশ করা হয় ওই অভিযুক্ত যুবককে। শুনানি শেষে বিচারক তাঁকে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনে মুক্তি দেন। তবে রাজ্যের বাইরে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সুব্রত সর্দার (Subrata Sardar) আদালতে জানান, একাধিকবার গোপন জবানবন্দির জন্য ডাকা হলেও অভিযোগকারিণী উপস্থিত হননি। তাঁর কথায়, “তিনবার সমন পাঠানো হয়েছে। তবুও কেন অভিযোগকারিণী হাজিরা দিচ্ছেন না, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।”

তাঁর আরও অভিযোগ, “মেডিক্যাল পরীক্ষা এখনও হয়নি, অথচ ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনের জীবনের মূল্য এত তুচ্ছ হতে পারে না।” তিনি দাবি করেন, দুই তরফের মধ্যে অতীতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, এবং ঘটনাটির পিছনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্ররোচনা থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ প্রেমিকের রাগের বলি! গুজরাতে CRPF জওয়ানের হাতে খুন মহিলা সাব-ইনস্পেক্টর

Advertisement
ads

অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলি আদালতে জানান, অভিযোগকারিণী হয়তো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, তাই এখনও আদালতে জবানবন্দি দিতে পারেননি। তবে তদন্তে কোনও গাফিলতি নেই বলেই দাবি তাঁর। পাশাপাশি তিনি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের জেল হেফাজতের আবেদন করেন।

বিচারক অবশ্য সরকারি পক্ষের সেই আবেদন গ্রহণ না করে অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি দেন। পাশাপাশি, পরবর্তী তদন্তে প্রয়োজনে ফের হেফাজতের জন্য আবেদন করা যেতে পারে বলেও জানান।

মামলার নানা দিক খতিয়ে দেখে অনেকেই বলছেন, অভিযোগকারিণীর পক্ষ থেকে জবানবন্দি ও পরীক্ষায় বিলম্ব পুরো বিষয়টিকে সন্দেহজনক করে তুলছে। আইনি মহলের একাংশের বক্তব্য, তদন্তে পরিস্কার হবে ঘটনাটি সত্যি কোনও অপরাধ, না কি তা পরিকল্পিতভাবে সাজানো একটি ফাঁদ।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement