বারবার অশান্তি, অসুস্থতা বা কাজে বাধা? নজরদোষ দূর করতে বাস্তুশাস্ত্রের সহজ উপায়
Connect with us

বাস্তুশাস্ত্র

বারবার অশান্তি, অসুস্থতা বা কাজে বাধা? নজরদোষ দূর করতে বাস্তুশাস্ত্রের সহজ উপায়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Shastra)-এর মতে, নজরদোষ বা কুদৃষ্টি (Negative Energy) মানুষের পরিবার, স্বাস্থ্য এবং আর্থিক অবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। অনেক সময় কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংসারে অশান্তি, কাজের বাধা, অর্থনৈতিক সমস্যা বা পরিবারের সদস্যদের বারবার অসুস্থ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাস্তুশাস্ত্রে এমন অবস্থায় কিছু সহজ উপায় অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক শক্তি (Positive Energy) বৃদ্ধি করতে সহায়ক বলে মনে করা হয়।

প্রথমেই গুরুত্ব দেওয়া হয় বাড়ির প্রধান দরজা (Main Door)-কে। এটি ইতিবাচক শক্তির প্রবেশপথ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই দরজায় সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক (Swastik) বা ‘ওঁ’ (Om) চিহ্ন আঁকা শুভ বলে মনে করা হয়। এছাড়া প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবার সাতটি কাঁচা সবুজ লঙ্কা এবং একটি লেবু কালো সুতোয় গেঁথে ঝুলিয়ে রাখার প্রচলন রয়েছে। অনেকেই আবার কালো কাপড়ে প্রায় ৫০ গ্রাম ফিটকিরি (Alum) বেঁধে মূল ফটকের বাইরে ঝুলিয়ে রাখেন।

ঘরের পরিবেশ পবিত্র রাখতে সপ্তাহে অন্তত দু’বার জলের সঙ্গে সৈন্ধব লবণ (Rock Salt) মিশিয়ে মেঝে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কর্পূর (Camphor) ও দুটি লবঙ্গ (Clove) জ্বালিয়ে ধোঁয়া ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং নিয়মিত গঙ্গাজল (Ganga Water) ছিটিয়ে ঘর পরিষ্কার রাখাও শুভ বলে বিবেচিত হয়।

পরিবারের কোনও সদস্য বা শিশু নজরদোষে আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে হলে এক মুঠো নুন মাথা থেকে পা পর্যন্ত সাতবার ঘুরিয়ে প্রবাহমান জলে ফেলে দেওয়ার রীতি প্রচলিত। পাশাপাশি শুকনো লাল লঙ্কা আগুনে পোড়ানো, শিশুদের হাতে কালো সুতো বাঁধা কিংবা বাইরে বের হওয়ার সময় পকেটে গোটা এলাচ রাখা অনেকেই শুভ বলে বিশ্বাস করেন।

Advertisement
ads ads

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির উত্তর বা উত্তর-পূর্ব (North-East) কোণে জল সম্পর্কিত সামগ্রী বা অ্যাকোয়ারিয়াম (Aquarium) রাখা ইতিবাচক শক্তি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া ভাঙা, নষ্ট বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস দ্রুত সরিয়ে ফেলা এবং মূল দরজার সামনে আয়না না রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়।

বিঃদ্রঃ উপরোক্ত তথ্যগুলি বাস্তুশাস্ত্র ও প্রচলিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে। এগুলির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত নয়। ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও বিবেচনা অনুযায়ী এগুলি অনুসরণ করা উচিত।

Continue Reading
Advertisement ads