ভাইরাল খবর
“নাম নেই লিস্টে” আতঙ্কেই অসুস্থ প্রৌঢ়! সরকারি সহায়তার আবেদন পরিবারে
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের নানা প্রান্তে (Statewide) SIR আতঙ্ক ঘনাচ্ছে। এসআইআরের মূল পর্ব (Main Phase) শুরু হতেই একের পর এক মৃত্যুর (Deaths) খবর আসছে। এই পরিস্থিতিতেই এবার সরকারি সাহায্যের (Government Aid) আবেদন জানাতে প্রশাসনের (Administration) দ্বারস্থ এক পরিবার। তাঁদের দাবি— SIR আতঙ্কেই স্ট্রোক (Stroke) হয়েছে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে (Earning Member) সদস্যের।
কালনার (Kalna) মহাপ্রভু পাড়া এলাকার বাসিন্দা ক্ষিতীশ শর্মা (Kshitish Sharma, বয়স ৫৬) গত ২৯ অক্টোবর স্ট্রোক করেন। পরিবারের অভিযোগ, SIR আতঙ্কে মানসিক চাপে ভুগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ক্ষিতীশবাবুর মেয়ে স্থানীয় উপপুরপ্রধানের (Deputy Head) কাছে গিয়ে সাহায্য চান। এরপর পরিবার পৌঁছায় কালনা ১ নম্বর ব্লকের বিডিও (BDO) অফিসেও।
স্থানীয় সূত্রে (Local Sources) খবর, ক্ষিতীশবাবু দীর্ঘদিন ধরে কালনায় ভাড়া থাকেন। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় (Voter List) তাঁর নাম নেই। বাবা-মা ছোটবেলাতেই মারা যাওয়ায় (Deceased Parents) লিঙ্কিং ডকুমেন্ট (Linking Document)-ও পাওয়া যায়নি। পরিবারের দাবি, এই আশঙ্কা থেকেই (Fear) তিনি মানসিক চাপে ভুগতে শুরু করেন এবং শেষমেশ স্ট্রোক করেন।
বর্তমানে ক্ষিতীশবাবু কালনা হাসপাতালে (Kalna Hospital) চিকিৎসাধীন ছিলেন, এখন কিছুটা সেরে বাড়িতে ফিরেছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অন্তত দেড় মাসের বেড রেস্ট (Bed Rest) দরকার।
পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, তিনি প্রায়ই বলতেন, “ভোটার লিস্টে আমার নাম নেই, মেয়েদের ভবিষ্যৎ কী হবে জানি না।” এই উৎকণ্ঠা (Anxiety) ও চিন্তা থেকেই স্ট্রোক হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। ক্ষিতীশবাবুও নিজে জানান, “আমার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। ছোটবেলায় কালনায় এক পরিবারের কাছে মানুষ হয়েছি। বড় হয়ে গাড়ি চালানো (Driving) শিখে কাজ শুরু করি। কিন্তু এসআইআর (SIR) শুরুর পর থেকেই সবাই বলছিল আমার নাম লিস্টে নেই। সেই ভয়েই আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি।”
এই ঘটনার পর থেকেই প্রশাসনিক মহলে (Administration Circle) শুরু হয়েছে চাপানউতোর (Controversy)। কেউ বলছেন, SIR আতঙ্ক (Fear of SIR) অমূলক আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে; অন্যদিকে, কেউ মনে করছেন— প্রশাসনের আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দরকার যাতে এমন মানসিক চাপের ঘটনা আর না ঘটে।
