শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত ২ ছাত্র
Connect with us

বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত ২ ছাত্র

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড (Death Sentence) দেওয়ার পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। সোমবার রাত থেকেই ঢাকার বহু এলাকায় বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ (Clashes) এবং ককটেল বিস্ফোরণে (Explosions) অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত দু’জনের—তাঁরা দু’জনেই ছাত্র সংগঠনের কর্মী এবং বিএনপি–ঘনিষ্ঠ বলেই জানা গিয়েছে, যদিও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (International Crimes Tribunal) তিনটি অভিযোগে শেখ হাসিনা, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করে। অভিযোগগুলি হল—উসকানি দেওয়া (Incitement), হত্যার নির্দেশ (Order to Kill), এবং দমনপীড়ন আটকানোর ক্ষেত্রে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা (Policing Failure) নিশ্চিত করা। এর পরই আদালত হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা করে। রায় পড়তেই আদালতকক্ষে হাততালিতে ফেটে পড়ে উপস্থিত জনতা।

রায় ঘোষণার আগেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কড়া নিরাপত্তা জারি ছিল। এমনকি বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্র গুলি চালানোর (Shoot-at-sight Order) অনুমতিও দেওয়া হয় পুলিশকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। থানা লক্ষ্য করে হামলা, ককটেল বোমা ছোড়া, পুলিশের উপর আক্রমণ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন পুলিশকর্মী।

Advertisement
ads

ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নেমে আসে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যবহার করা হয় কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) ও সাউন্ড গ্রেনেড (Sound Grenade)। আওয়ামি লিগ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে দু’দিনব্যাপী দেশব্যাপী শাটডাউনের ডাক দেয়। দলীয় কর্মী-সমর্থকরাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।

এদিকে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি (Bangabandhu’s Residence) ঘিরে বড় জমায়েত হয়। অনেকেই বাড়ি ধ্বংসের চেষ্টা করলে সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনও তৎপর প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী।

Continue Reading
Advertisement