মিড মিলের আলু কেনা নিয়ে দূর্ণীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তদন্তের নির্দেশ শিক্ষাদপ্তরের
Connect with us

রায়গঞ্জ

মিড মিলের আলু কেনা নিয়ে দূর্ণীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তদন্তের নির্দেশ শিক্ষাদপ্তরের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , রায়গঞ্জ , ১৪ জানুয়ারী : মিড মিলের আলু কেনা এবং চেক প্রদানকে ঘিরে আর্থিক দূর্ণীতির অভিযোগ উঠলো রায়গঞ্জের মহারাজাহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব সরকারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্কুলে। অভিযোগ প্রায় একলক্ষ সরকারী টাকা আত্মসাৎ করেছেন বিপ্লববাবু। এবিষয়ে জেলা শিক্ষাদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন স্কুল পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান জগবন্ধু সরকার।আর্থিক দূর্ণীতির অভিযোগ জানানো হয়েছে প্রশাসনিক স্তরেও।

উল্লেখ্য করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর থেকেই বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি। রান্না করা খাবার দেওয়া না হলেও প্রতিমাসে পড়ুয়াদের হাতে চাল,আলু,ডাল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবারে এই আলু কেনাকে কেন্দ্র করেই দূর্ণীতি র অভিযোগ উঠলো রায়গঞ্জের মহারাজাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব সরকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রায় একলক্ষ সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। এবিষয়ে সরব হয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি জগবন্ধু সরকার। প্রধান শিক্ষক বিপ্লব বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ,তিনি গত বছরের জুন মাস পর্যন্ত স্থানীয় আলু ব্যাবসায়ী হরিপদ দাসের কাছ থেকে আলু কেনেন সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে কম দামে। এই অর্থের পরিমান ৬৩,১৪৭। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আলু ব্যাবসায়ী কে ৮০,৬৪০ টাকার চেক দেন। এই চেক ভাঙানোর পর হরিপদ দাস নামে ঐ ব্যাবসায়ীর কাছ থেকে ১৪,১০০ টাকার কাটমানি নেন প্রধান শিক্ষক বিপ্লব বাবু। এমনটাই জানিয়েছেন আলু ব্যাবসায়ী হরিপদ দাস। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় অভিযোগ, তিনি আলুর টাকা মেটানোর জন্য চেক প্রদান নিয়েও দুর্ণীতি করেছেন। গত বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত রায়গঞ্জের পানিশালার আলু বিক্রেতা সুবল দাসের কাছ থেকে আলু কেনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর আলুর দাম মেটানোর জন্য সুবল বাবুর নামে ২,৮৭,৭৪৬ টাকার চেক ইস্যু করেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সুবল বাবু জানিয়েছেন তিনি কোন চেক পাননি। তাকে নগদে দুলক্ষ সাতশো পঁচাত্তর টাকা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সুবল বাবুর নামে ইস্যু করা চেকগুলি ভাঙিয়ে প্রায় অষ্টাশি হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। গোটা বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি জগবন্ধু সরকার। তিনি বলেন,” প্রধান শিক্ষক আলু কেনা নিয়ে ব্যাপক দূর্ণীতি করেছেন। ঘটনার তদন্তের দাবীতে প্রশাসন ও শিক্ষাদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি। ” যদিও প্রধান শিক্ষক বিপ্লব সরকার বলেন,” আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে। সঠিক নিয়ম মেনেই আলু কেনা হয়েছে। অন্যদিকে জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস বলেন,” আর্থিক দূর্ণীতি র বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সবদিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।