মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর নবান্নে আবু-খলিলুর! এনসিপিআই নিয়ে দিলেন বড় বার্তা
Connect with us

ভাইরাল খবর

মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর নবান্নে আবু-খলিলুর! এনসিপিআই নিয়ে দিলেন বড় বার্তা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতায় নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি করলেন আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। শনিবার নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন দুই সাংসদ।

আবু তাহের জানান, লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) সাংসদ হিসেবেই দেখানো হচ্ছে। সংসদে তাঁদের পরিচয়ও এখনও তৃণমূলের সাংসদ হিসেবে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এনসিপিআই (NCPI) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এনডিএ (NDA)-র শরিক নয়। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্তও তাঁরা নেননি।

দুই সাংসদ বলেন, ভবিষ্যতে তাঁরা এনসিপিআই-তেই থাকবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হয়নি। তাঁদের কথায়, আগামী দিনে কী হবে, তা সময়ই বলবে।

নবান্নের বৈঠকে মূলত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) এবং মসজিদের মাইক-লাউডস্পিকার সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। তাঁদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। প্রথম দফায় প্রায় সাত লক্ষ মানুষের নাম সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আশ্বাস মিলেছে। বাকি প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের ক্ষেত্রে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর দাবিও জানানো হয়েছে।

Advertisement
ads ads

মসজিদের মাইক ও লাউডস্পিকার সরানো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দুই সাংসদ। তাঁদের অভিযোগ, কোথাও কোথাও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে পুলিশি পদক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

আবু তাহের ও খলিলুর জানান, এই সমস্যাগুলির কথা তাঁরা অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছেও জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, সরকার জনস্বার্থে ভালো কাজ করলে সমর্থন করবেন। তবে মুর্শিদাবাদ বা রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর অন্যায় হলে তার বিরোধিতা করবেন।

মোদী-শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর নবান্নে তাঁদের সাক্ষাৎ এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্পষ্ট বার্তা—সব মিলিয়ে বাংলার রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

Advertisement
ads ads