দেশের খবর
নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে রাহুল-রিজিজু তর্ক! ‘ডিলিমিটেশন’ ইস্যুতে কেন্দ্রকে নিশানা
ডিজিটাল ডেস্কঃ নারী ক্ষমতায়ন (Women Empowerment) এবং নারী সংরক্ষণ বিল (Women Reservation Bill) নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বাকযুদ্ধে জড়ালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। রাহুলের একটি ভিডিও বার্তার পরই তাঁকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানান রিজিজু। এরপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে ২০২৩ সালে পাশ হওয়া নারী সংরক্ষণ আইন এখনও কার্যকর না হওয়া এবং সেটিকে ডিলিমিটেশন (Delimitation)-এর সঙ্গে যুক্ত করার প্রশ্ন তোলেন রাহুল।
This seems to be a positive message from the Congress Party. There’s a visible change of heart in Shri Rahul Gandhi Ji about the Women. Now, I hope Congress Party will support the Women’s Reservation Bill unconditionally. https://t.co/nSzH2C6Orf
— Kiren Rijiju (@KirenRijiju) August 8, 2026
रिजिजू जी, संसदीय कार्य मंत्री होने के नाते आपसे बेहतर यह कौन जानता होगा – महिला आरक्षण विधेयक 2023 में ही सर्वसम्मति से पारित हो चुका है, कांग्रेस के पूर्ण समर्थन के साथ।
सवाल यह है कि तीन साल बाद भी वह लागू क्यों नहीं हुआ और अब आप उसे परिसीमन से बेवजह क्यों जोड़ना चाहते हैं?… https://t.co/1HeBna8v8L
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) August 8, 2026
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ভিডিও বার্তায় রাহুল বলেন, দেশের নারীদের আলোচনার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা জরুরি। তাঁদের নিজেদের মত প্রকাশ এবং নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে। তাঁর বক্তব্য, নারীদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ ছাড়া কোনও দেশই পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নতি করতে পারে না।
রাহুলের বক্তব্যকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে উল্লেখ করে রিজিজু বলেন, নারীদের বিষয়ে কংগ্রেস নেতার মানসিকতায় পরিবর্তন এসেছে বলে মনে হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি কংগ্রেসকে কোনও শর্ত ছাড়াই নারী সংরক্ষণ বিলকে সমর্থনের আহ্বান জানান।
পাল্টা জবাবে রাহুল বলেন, ২০২৩ সালের নারী সংরক্ষণ বিল কংগ্রেসের পূর্ণ সমর্থনেই সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, তিন বছর পরেও কেন আইনটি কার্যকর করা হয়নি এবং কেন সেটিকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। অবিলম্বে কোনও শর্ত ছাড়াই আইন কার্যকর করার দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩’-এ লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, বর্তমান আসন সংখ্যার ভিত্তিতেই সংরক্ষণ কার্যকর করা হোক। অন্যদিকে কেন্দ্রের বক্তব্য, আসন পুনর্বিন্যাস (Delimitation) প্রক্রিয়ার পরই সংরক্ষণের পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব।
রাহুল আরও বলেন, শুধু রাজনীতি বা ব্যবসায় সাফল্য নয়, ঘর ও সমাজে নারীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ এবং চলাফেরার অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি। পিতৃতান্ত্রিক (Patriarchal) নিয়ন্ত্রণ থেকে নারীদের মুক্তি না মিললে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
