দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ এলাকারই এক যুবকের বিরুদ্ধে
Connect with us

মালদা

দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ এলাকারই এক যুবকের বিরুদ্ধে

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , মানিকচক , ২৪ ফেব্রুয়ারি : দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল গ্রামের যুবকের বিরুদ্ধে। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির পর আহত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার মানিকচক থানার নাজিরপুর অঞ্চলের লক্ষীকোল গ্রামে।

ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারের তরফে মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। নির্মম অত্যাচারের পর প্রাণে মারার এমন চেষ্টায় রীতিমতো আতঙ্কিত ওই নির্যাতিতা ও তার পরিবার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম বাপি মহালদার ওরফে ভোলা(২৫)। লক্ষীকোল গ্রামের বাসিন্দা অভিযুক্ত। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা নাবালিকা নাজিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। তার বাবা মৎস্যজীবী। মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা মাছ ধরতে যাওয়ার পর তার মা ও জমিতে কাজ করতে বেরিয়ে যায়। বিকেল নাগাদ অন্যান্য দিনের মতোই বাড়ির গবাদিপশুর জন্য বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে জমিতে যায় ওই নাবালিকা ঘাস আনতে। সেখানেই ফাঁদ পেতে বসেছিল অভিযুক্ত যুবক বাপি মহালদার। জমিতেই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই নাবালিকা আর্তচিৎকার করতে থাকলে প্রাণে মেরে দিতে অভিযুক্ত যুবক ব্যাপক মারধর করে নির্যাতিতা নাবালিকাকে। এরপর স্থানীয়রা ছুটে আসলে পালিয়ে যায় ওই অভিযুক্ত যুবক। জমি থেকেই নির্যাতিতা নাবালিকাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের সদস্য সহ স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরই স্থানীয়দের সহযোগিতায় নির্যাতিতাকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই মানিকচক থানায় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নামে পুলিশ। দ্রুততার সাথে অভিযুক্ত যুবককে রাতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি নির্যাতিতাকে চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।