ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে রাজ্য! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল
Connect with us

খেলার খবর

ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে রাজ্য! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA World Cup) ফাইনাল ঘিরে এবার পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হয়েছে বাড়তি উন্মাদনা। আর্জেন্টিনা (Argentina) বনাম স্পেন (Spain)-এর হাইভোল্টেজ ফাইনাল শুধু টেলিভিশন (Television) বা মোবাইল (Mobile)-এর পর্দায় নয়, এবার দেখা যাবে কলকাতার নন্দনের (Nandan) বিশাল স্ক্রিনেও। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই বিশেষ লাইভ সম্প্রচার (Live Screening)-এর আয়োজন করা হয়েছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি ক্রীড়াপ্রেমী মন্ত্রী, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার এবং টলিউড (Tollywood)-এর একাধিক পরিচিত মুখও উপস্থিত থাকতে পারেন।

এই আয়োজনের মূল দায়িত্বে রয়েছে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তর (Sports & Youth Affairs Department)। সরকারি ইঞ্জিনিয়াররা ইতিমধ্যেই সম্প্রচারের প্রযুক্তিগত (Technical) দিক খতিয়ে দেখেছেন। শুক্রবারও প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে, যাতে সম্প্রচারে কোনও সমস্যা না হয়।

শুধু কলকাতাই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায়ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জায়ান্ট স্ক্রিন (Giant Screen)-এ ফাইনাল দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনগুলিকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার জন্য এই আয়োজনের উদ্দেশ্যে এক লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে।

Advertisement
ads ads

নন্দন, রবীন্দ্রসদন ও অ্যাকাডেমি চত্বরকে ফুটবল উৎসবের আবহে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। দুই ফাইনালিস্ট দলের জাতীয় পতাকা, জার্সি, সমর্থকদের জন্য বিশেষ সাজসজ্জা এবং মুখে রং করার ব্যবস্থাও রাখা হবে। দর্শকদের যেন স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার অনুভূতি হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

রাত পর্যন্ত খেলা চলায় নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) ও জেলা পুলিশকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, ট্রাফিক (Traffic) নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের মতে, সরকারি উদ্যোগে নন্দনের বড় পর্দায় ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখানোর ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম। ফলে এই আয়োজন রাজ্যের ক্রীড়া-সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads