২০০৮ সালের রক্তাক্ত আহমেদাবাদ বিস্ফোরণ মামলা! ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনের যাবজ্জীবন দিল হাইকোর্ট
Connect with us

দেশের খবর

২০০৮ সালের রক্তাক্ত আহমেদাবাদ বিস্ফোরণ মামলা! ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনের যাবজ্জীবন দিল হাইকোর্ট

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০০৮ সালের আহমেদাবাদ (Ahmedabad) ধারাবাহিক বিস্ফোরণ (Serial Blast) মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৪৯ জনের সাজা পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। বিশেষ আদালতের (Special Court) দেওয়া আগের রায়ই বহাল রেখেছে উচ্চ আদালত। ফলে ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty) এবং বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Life Imprisonment) কার্যকর থাকছে।

মঙ্গলবার আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা (National Security) ও জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই মামলায় সাজা কমানোর কোনও সুযোগ নেই। দোষীদের করা সমস্ত আপিল (Appeal) খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই মাত্র ৭০ মিনিটের ব্যবধানে আহমেদাবাদের ২১টি জনবহুল এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। এই ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Terror Attack) প্রাণ হারিয়েছিলেন ৫৬ জন এবং আহত হন ২০০-রও বেশি মানুষ। তদন্তে উঠে আসে, এই হামলার নেপথ্যে ছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন (Terror Outfit) ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (Indian Mujahideen)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ড ও পরবর্তী দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলার ছক কষা হয়েছিল।

দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার পর ২০২২ সালে বিশেষ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করে। মোট ৭৭ জন অভিযুক্তের মধ্যে প্রমাণের অভাবে ২৮ জনকে খালাস দেওয়া হলেও, ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ষড়যন্ত্র, জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগে বাকি ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

Advertisement
ads ads

পরবর্তীতে দোষীরা সাজা কমানোর আবেদন জানিয়ে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে বিচারপতিদের ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench) জানিয়ে দেয়, এই নৃশংস অপরাধ ‘বিরলতমের মধ্যে বিরল’ (Rarest of Rare) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং বিশেষ আদালতের রায়ে হস্তক্ষেপের কোনও কারণ নেই।

তদন্তে আরও উঠে আসে, ২০০৭ সালে কেরালার এরনাকুলামে নিষিদ্ধ সংগঠন SIMI-র একটি গোপন প্রশিক্ষণ শিবিরে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর হাইকোর্টের এই রায় মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement ads