ভাইরাল খবর
শুভেন্দু অধিকারীর এক্স হ্যান্ডেলে বড় ঘোষণা! নিয়োগে স্বচ্ছতা ফেরাতে SSC-তে প্রশাসনিক রদবদল
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ‘দুর্নীতি’ ফাইল এক এক করে খুলতে শুরু করেছে বিজেপি (BJP)। অতীত জমানায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল বাংলা, যার জেরে ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট এবং চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এই প্রেক্ষাপটে রাজ্যে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা (Transparency and Impartiality) নিশ্চিত করতে এবার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল নতুন রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (WBCSSC) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে রাজ্যের অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং বরিষ্ঠ আইএএস (IAS) আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে।
শনিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (X Handle) একটি পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, নিয়োগ কমিশনগুলিকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত (Political Influence Free) করে এবার সর্বভারতীয় স্তরের ইউপিএসসি (UPSC) মডেলের ধাঁচে ঢেলে সাজানো হবে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় (Budget Speech) যখন শূন্য পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল, তখনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব (Political Personality) থাকবেন না।
রাজ্যবাসীর কাছে আমাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ছিল যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা আনা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলোকে রাজনৈতিক সংস্পর্শ থেকে মুক্ত রেখে ইউপিএসসি (UPSC)-র মডেলের ধাঁচে ঢেলে সাজানো হবে।
সেই মতো অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় যখন শূন্য পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়,… pic.twitter.com/i5nY9bcMhw
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) July 4, 2026
কে এই দুষ্মন্ত নারিয়ালা?
প্রশাসনিক দক্ষতা ও আঞ্চলিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই আধিকারিক এর আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এবং ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিপর্যয় মোকাবিলা ও সিভিল ডিফেন্স দফতরের প্রধান সচিব (Principal Secretary) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন (Election Commission) তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মানদণ্ড হবে মেধা ও যোগ্যতা (Merit and Qualification)। অতীতের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির (Institutional Corruption) কোনো স্থান এই নতুন পশ্চিমবঙ্গে নেই। নতুন চেয়ারম্যানের অধীনে এখন আবেদন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন— প্রতিটি ধাপে কড়া নজরদারি (Monitoring) চালানো হবে।
