মমতার সঙ্গ ছাড়ার পর ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠক! এবার কি তাহলে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ চন্দ্রিমার?
Connect with us

ভাইরাল খবর

মমতার সঙ্গ ছাড়ার পর ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠক! এবার কি তাহলে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ চন্দ্রিমার?

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) অন্দরে ভাঙন ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবার চূড়ান্ত রূপ নিল। শনিবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাত ছেড়ে দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা (Resignation) দেওয়ার পরই সরাসরি বিধানসভায় পৌঁছে গেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেখানে তাঁকে গেটের মুখে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানান ‘নব তৃণমূল’ বা বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। এরপর সোজা বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, চন্দ্রনাথ সিনহাদের সঙ্গে এক হাইপ্রোফাইল গোলটেবিল বৈঠকে বসেন চন্দ্রিমা। এই পদক্ষেপের বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকে পা মেলাতে হয়, আমিও ব্যতিক্রম নই।” তবে তিনি স্পষ্টভাবে বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের ঘোষণা করেননি, এখনও।

বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, “কিছু নথি জমা দিতে তিনি বিধানসভায় গিয়েছিলেন। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। বিধানসভায় কোনও কাজ করতে এলে নিশ্চয়ই আমি সরকার পক্ষের ঘরে গিয়ে বসব না। বিরোধী পক্ষের ঘরেই বসতে হবে।”

এবিষয়ে মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “যদি কেউ মনে করেন তিনি বিশ্বাসঘাতক শিবিরে নাম লেখাবেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। মানুষের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন চন্দ্রিমা সব থেকে বেশি দপ্তর পেয়েছেন। তখন অভিমান হয়নি? এখন ছাড়লেন কেন?” 

চন্দ্রিমার এই আকস্মিক দলত্যাগের নেপথ্যে রয়েছে শুক্রবার রাতের একটি ফোনালাপ (Phone Call)। মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট’ বনাম ‘ঋতব্রত’ শিবিরের দড়ি টানাটানির সময় চন্দ্রিমা ভবনের ভেতরেই ছিলেন। তিনি বেরোনোর পরেই ঋতব্রতরা ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতে ফোন করে চন্দ্রিমাকে বলেন, “তুমি ওদের হাতে ভবন তুলে দিলে?” নেত্রীর মুখে নিজের আনুগত্য (Loyalty) নিয়ে এমন প্রশ্ন শুনে গভীরভাবে আঘাত পান চন্দ্রিমা। তিনি বলেন, “যখন বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে, তখন সেখানে থাকা উচিত নয়। দিদির কথায় বেদনাহত হয়েই সব পদ ছাড়লাম।” ব্যাঙ্কের চেক সই করার অধিকার এবং নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) দলের প্রতিনিধিত্ব করার পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads