তৃণমূল নেতাদের কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় প্রদর্শনী! পুলিশের অতি-সক্রিয়তায় এবার হাইকোর্টে মামলা
Connect with us

ভাইরাল খবর

তৃণমূল নেতাদের কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় প্রদর্শনী! পুলিশের অতি-সক্রিয়তায় এবার হাইকোর্টে মামলা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরেই পুলিশকে ‘ফ্রি হ্যান্ড’ (Free Hand) দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তার পর থেকেই একেবারে ‘দাবাং’ মুডে কাজ করছে বাংলার পুলিশ। একদিকে যেমন সংক্রমণের মতো বাড়ছে তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির সংখ্যা, তেমনই অন্যদিকে ট্রেন্ডে (Trend) পরিণত হয়েছে ধৃত ‘বাহুবলী’দের কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরানো। এবার এই ‘পাবলিক শেমিং’ বা জনসমক্ষে হেনস্থার ঘটনা গড়াল আদালত পর্যন্ত। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টে (Kolkata High Court) দায়ের হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা (Public Interest Litigation)।

মামলাটি দায়ের করেছেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) স্পষ্ট গাইডলাইন থাকা সত্ত্বেও ধৃতদের কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো বা অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় হাঁটিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ বা ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশন (Crime Scene Reconstruction) করা আসলে দেশের সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানি (Hearing) হবে।

সাম্প্রতিক অতীতে উত্তর হাওড়ার আকাশ সিংকে মাথা ন্যাড়া ও অন্তর্বাস পরিয়ে এবং শিবপুরের তৃণমূল নেতা শামিম আহমেদ ও সাঁকরাইলের সাহীন মোল্লাকে কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় ঘোরায় পুলিশ। একইভাবে বীজপুরের দাপুটে তৃণমূল যুব নেতা বনি এবং কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ে ধৃত কালচিনির তৃণমূল নেতা মানস রায়কেও প্রায় একই কায়দায় এলাকায় ঘোরানো হয়। তৃণমূল জমানায় যাদের ভয়ে পুলিশ সিঁটিয়ে থাকত, নতুন বিজেপি সরকারের (BJP Government) আমলে তাদের এই দশা দেখে অনেকেই উত্তরপ্রদেশের ‘যোগী রাজে’র সঙ্গে তুলনা করছেন। তবে আইনজীবী মহলের স্পষ্ট বক্তব্য, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার কাজ আদালতের, পুলিশের নয়। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৫ জুন হাইকোর্ট কী রায় দেয়, সেটাই এখন দেখার।

Advertisement
ads ads