মায়াপুর ইসকনে আবেগঘন শুভেন্দু! গীতার বাণী নিয়ে বাংলার গৌরব ফেরানোর প্রার্থনা মুখ্যমন্ত্রীর
Connect with us

রাজ্যের খবর

মায়াপুর ইসকনে আবেগঘন শুভেন্দু! গীতার বাণী নিয়ে বাংলার গৌরব ফেরানোর প্রার্থনা মুখ্যমন্ত্রীর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নদীয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে (Helicopter) করে তিনি মায়াপুরে পৌঁছান। সেখানে রাধামাধবের দর্শন ও গো-সেবা করার পাশাপাশি গীতার বাণীকে ধারণ করে পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রার্থনা জানান প্রশাসনিক প্রধান।

মায়াপুরে পৌঁছানোর পর ইসকনের সন্ন্যাসীরা (Monks) তাঁকে মালা পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সফরের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী ইসকনের গোশালায় (Cowshed) যান এবং সেখানে একটি বিশেষ যজ্ঞানুষ্ঠানে (Yajna) অংশ নেন। এরপর তিনি নিজে হাতে জল দিয়ে গোমাতার পা ধুইয়ে দেন এবং খাবার খাইয়ে গো-সেবা করেন। গোশালার কর্মসূচি শেষ করে তিনি যান মূল চন্দ্রোদয় মন্দিরে (Chandrodaya Temple)। সেখানে রাধামাধবের পুজো ও আরতি শেষে বিগ্রহের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মন্দিরেও পুজো দেন তিনি।

পুজো শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে একজন ‘সনাতনী’ (Sanatani) এবং ‘ইসকনের ভক্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পর কালীঘাট, বেলুড় মঠ, জৈন মন্দির ও লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে গিয়েছি। ইসকনে আসার ইচ্ছা অনেকদিনের ছিল। গীতার বাণী (Teachings of Gita) গ্রহণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই, যাতে বাংলা তার হারানো গৌরব ফিরে পায়।” ইসকনের সন্ন্যাসীদের নিঃস্বার্থ প্রচারের প্রশংসা করে তিনি জানান, বছরে তিনবার (দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রা) তিনি রাধামাধবের অভিষেক করেন। মন্দির চত্বরে কড়া নিরাপত্তা (Security) ব্যবস্থার মাঝেই ভক্তদের জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসকনের পক্ষ থেকে তাঁকে কৃষ্ণ প্রসাদ এবং উপহার হিসেবে একটি গোমাতার মূর্তি প্রদান করা হয়।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement