ক্ষমতার পালাবদল হতেই বিস্ফোরক রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, কাঠগড়ায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
Connect with us

ভাইরাল খবর

ক্ষমতার পালাবদল হতেই বিস্ফোরক রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, কাঠগড়ায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদলের (power shift) পর এবার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এক মারাত্মক অভিযোগ সামনে এল। সংবাদমাধ্যমের (media) মুখোমুখি হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য (former vice-chancellor) দীপক রায় দাবি করেছেন, তাঁর কার্যকালে তাঁকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁর ওপর লাগাতার রাজনৈতিক চাপ (political pressure) সৃষ্টি করা হতো। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের পতনের পর বর্তমানে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, আর তারপরেই বিগত সরকারের আমলের এই চাঞ্চল্যকর দুর্নীতি (corruption) নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।

দীপক বাবু জানান, তিনি আড়াই বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় প্রকাশ্যেই হোক বা ফোনে—তৃণমূল নেতারা তাঁকে কাজ না করতে দেওয়ার হুমকি দিতেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাগ অডিট (CAG Audit) করিয়েছিলেন, যেখানে পদোন্নতি (promotion), বিদ্যুৎ ও পুকুর সংস্কার সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিস্তর অসঙ্গতি (irregularities) ধরা পড়েছিল।

এখানেই শেষ নয়, প্রাক্তন উপাচার্যের আরও একটি বিস্ফোরক অভিযোগ, রায়গঞ্জের তৎকালীন বিধায়ক (MLA) তাঁকে ফোন করে পদ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন। একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সাথে তিনি জানান, এক রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা (miscreants) তাঁকে প্রায় ২৪ ঘণ্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আটকে রেখেছিল। সেই সময় বাইরে বসে দুষ্কৃতীদের মদ্যপান করার ভিডিও প্রমাণ (video evidence) তাঁর কাছে গচ্ছিত রয়েছে।

Advertisement
ads

এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পরিস্থিতি (administrative situation) এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও অভিযুক্ত পক্ষের তরফ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া (reaction) পাওয়া যায়নি। এখন দেখার, নতুন সরকারের আমলে এই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো আইনি পদক্ষেপ (legal action) নেওয়া হয় কি না।