ভাইরাল খবর
ভোটের শেষবেলায় বীরভূমে রক্তপাত! খয়রাশোলে ইভিএম কারচুপির অভিযোগে বাহিনীর ওপর হামলা
ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রথম দফার ভোটের (Polling) শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বীরভূমের (Birbhum) খয়রাশোল (Khoyrasol)। ইভিএমে কারচুপির (EVM Tampering) অভিযোগ ঘিরে মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের ৬৫ নম্বর বুথ এলাকা।
ভোটারদের অভিযোগ, তৃণমূলের প্রতীকে বোতাম চাপলে তা বিজেপি প্রার্থীর পক্ষে ভোট (Vote) হিসেবে নথিভুক্ত হচ্ছিল। প্রথমে প্রায় ২০০টি ভোট পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে বলে দাবি স্থানীয়দের। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভোটাররা এবং ভোটগ্রহণ (Polling Process) বন্ধ করে বিক্ষোভ (Protest) শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces)-কে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু হয়। একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর (Vandalism) চালানো হয়। পাল্টা পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনী লাঠিচার্জের (Lathi Charge) চেষ্টা করে। সংঘর্ষে কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন বলে খবর।
অবস্থা এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র (Firearm) হাতে নিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে এগোতে হয়। এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সকাল থেকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোট চললেও দুপুরের পর থেকেই অশান্তির (Violence) ছবি সামনে আসতে থাকে। আগে থেকেই নির্বাচন কমিশন (Election Commission) মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার ও বীরভূমে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছিল। বিকেল ৪টার পর অশান্তির আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছিল। অন্যদিকে নওদা, কুমারগঞ্জ, লাভপুর ও পটাশপুরেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে।
যদিও উচ্চ ভোটদানের হার (Voter Turnout) নজর কাড়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই ভোটকে গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙা বলে দাবি করেন।

