বাংলার মুকুটে জোড়া পালক! খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা পেল তিন চাল
Connect with us

ভাইরাল খবর

বাংলার মুকুটে জোড়া পালক! খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা পেল তিন চাল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলার কৃষি ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের মুকুটে যুক্ত হলো দুটি ঐতিহাসিক পালক। রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও (Food and Agriculture Organization) আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের অগ্রণী কৃষি প্রকল্প ‘মাটির সৃষ্টি’ (Matir Srishti Project)-কে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলার গৌরব সুগন্ধি চাল— গোবিন্দভোগ (Gobindobhog), তুলাইপাঞ্জি (Tulaipanji) এবং কনকচুর (Kanakchur) আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ (Food and Culture Heritage) হিসেবে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। বুধবার সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বড় খবরটি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

Advertisement
ads ads

রাজ্য সরকার ২০২০ সালে পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ ও অনুর্বর জমিকে উর্বর করার লক্ষ্যে এই ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পের সূচনা করেছিল। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একফসলি (Single-crop) জমিগুলিকে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা (Irrigation system) ও পুকুর খননের মাধ্যমে বহুফসলি (Multi-crop) জমিতে রূপান্তরিত করা হয়। এর ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান (Employment) নিশ্চিত হয়েছে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলির আয় বহুগুণ বেড়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেলের পাঠানো শংসাপত্রটি (Certificate) বাংলার এই মডেলের আন্তর্জাতিক প্রশংসারই প্রতিফলন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বিশেষ গৌরব তিনি গ্রামবাংলার অগণিত পরিশ্রমী কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ (Natural Resources) ও জীববৈচিত্র্য (Biodiversity) রক্ষার পাশাপাশি বাংলার নিজস্ব খাদ্য সংস্কৃতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও এই স্বীকৃতি এক বড় মাইলফলক। গোবিন্দভোগ বা কনকচুরের মতো চালের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আগামী দিনে বিশ্ববাজারে বাংলার কৃষিজাত পণ্যের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে।

Continue Reading
Advertisement ads