দেশের খবর
হাজার বছরের লড়াইয়ের সাক্ষী সোমনাথ, আত্মমর্যাদার বার্তা মোদির
ডিজিটাল ডেস্কঃ গুজরাট সফরের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দির (Somnath Temple) ঘিরে আয়োজিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ (Swabhiman Parv)-এ অংশ নিলেন। প্রভাস পাটনে অনুষ্ঠিত বিশাল ‘শৌর্য যাত্রা’ (Shaurya Yatra)-র নেতৃত্ব দেন তিনি। এই যাত্রা উৎসর্গ করা হয় সেই সব বীর যোদ্ধাদের, যাঁরা যুগে যুগে সোমনাথ মন্দির রক্ষায় প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। শোভাযাত্রায় প্রতীকী ভাবে অংশ নেয় ১০৮টি সুসজ্জিত ঘোড়া।
Somnath stands as a beacon of eternal divinity. Its sacred presence continues to guide people across generations. Here are highlights from yesterday’s programmes, including the Omkar Mantra chanting and drone show.#SomnathSwabhimanParv pic.twitter.com/lCZxiaauMp
— Narendra Modi (@narendramodi) January 11, 2026
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত অংশ নেন এই যাত্রায়। পরে প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মহাদেবের পূজা ও প্রার্থনা করেন।
জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সোমনাথ মন্দির ধ্বংসের চেষ্টা করা শক্তিগুলি ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু পুনর্নির্মাণের বিরোধিতাকারী মানসিকতা আজও রয়ে গেছে।” তিনি দেশ বিভাজনকারী শক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
মোদী স্মরণ করিয়ে দেন, ১০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রথমবার সোমনাথ মন্দিরে আক্রমণ হয়। মাহমুদ গজনী থেকে আওরঙ্গজেব—একাধিক আক্রমণ সত্ত্বেও এই মন্দির বারবার নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। তাঁর কথায়, “সোমনাথ নামের মধ্যেই রয়েছে ‘সোম’—অমৃত। তাই ধ্বংস নয়, পুনর্জাগরণই এর নিয়তি।”
जय सोमनाथ !
सोमनाथ स्वाभिमान पर्व का आज से शुभारंभ हो रहा है। एक हजार वर्ष पूर्व, जनवरी 1026 में सोमनाथ मंदिर ने अपने इतिहास का पहला आक्रमण झेला था। साल 1026 का आक्रमण और उसके बाद हुए अनेक हमले भी हमारी शाश्वत आस्था को डिगा नहीं सके। बल्कि इनसे भारत की सांस्कृतिक एकता की भावना… pic.twitter.com/dDXCPf1TMM
— Narendra Modi (@narendramodi) January 8, 2026
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজার বছর পর আজ মন্দিরের চূড়ায় উড়তে থাকা পতাকা গোটা বিশ্বকে ভারতের আত্মমর্যাদা (Self-respect), শক্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা দিচ্ছে। অনুষ্ঠানকে ঘিরে ড্রোন শো (Drone Show), বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও গুরুকুলের ছাত্রদের উপস্থিতি এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে।
