গাজার পুনর্গঠনে নেতৃত্বে ভারত, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হবে মনিটরিং কমিটি
Connect with us

দেশের খবর

গাজার পুনর্গঠনে নেতৃত্বে ভারত, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হবে মনিটরিং কমিটি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গাজায় (Gaza) শান্তি প্রতিষ্ঠার পর এবার শুরু হয়েছে নতুন এক পর্ব—ত্রাণ (relief) এবং পুনর্গঠনের (reconstruction) কাজ। বহু মাস ধরে চলা সংঘর্ষে বিধ্বস্ত গাজা শহরে ধীরে ধীরে ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। প্রায় ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ধ্বংসপ্রাপ্ত। এমন পরিস্থিতিতে গড়ে তুলতে হবে নতুন পরিকাঠামো (infrastructure), চালু করতে হবে প্রশাসনিক কার্যকলাপ।

এই মানবিক উদ্যোগে ভারতের (India) ভূমিকা হতে চলেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) উদ্যোগে আয়োজিত গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং (Kirti Vardhan Singh)। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) নেতৃত্বে গাজার পুনর্গঠনে অংশ নিতে আগ্রহী ভারত সরকার।

নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রস্তাব চলছে, যার নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সেই কমিটি গাজায় ভারতীয় ত্রাণ এবং পুনর্গঠনের কার্যক্রম তদারকি করবে।

Advertisement
ads

প্রাথমিকভাবে খাদ্য, ওষুধ, জামাকাপড়, ও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন (sanitary napkins) পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও সম্ভাব্য নির্মাণ প্রকল্পে ভারতীয় সংস্থাগুলি অংশ নেবে বলে জানা যাচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, আফগানিস্তান (Afghanistan)-এর পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কাবুলে তৈরি হয়েছিল ভারতীয় প্রযুক্তিতে গড়া সরকারি টেলিভিশন স্টেশন, নির্মিত হয়েছিল রাস্তা, সেতু, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানেও বিশেষ পুনর্গঠন প্যাকেজ (special reconstruction package) ঘোষণা করেছিল ভারত সরকার।

রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, প্যালেস্তাইন সম্পর্কেও সেই একই কৌশল অনুসরণ করবে মোদী সরকার। যদিও এই বিষয়ে মোদী সরকারের আগের নিরব ভূমিকা নিয়ে কংগ্রেস, বাম ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলি বারবার প্রশ্ন তুলেছে। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) সংবাদপত্রে একাধিক নিবন্ধের মাধ্যমে মোদী সরকারের এই বিষয়ে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন।

তবে নতুন পদক্ষেপে স্পষ্ট, ভারতের ঐতিহ্যগত আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও সুসংবদ্ধ করতে আগ্রহী বর্তমান সরকার।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement